ফরিদ আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-তে নিম্ন আয়ের মানুষের সহায়তায় সরকার ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ে উপজেলার ৭৯টি পরিবারের মাঝে এসব কার্ড বিতরণ করা হয়।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বাঞ্ছারামপুরের জগন্নাথপুর আধুনিক অডিটোরিয়াম-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন জাহান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলতে সরকার অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, বাঞ্ছারামপুরবাসীর ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকারের মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞ। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি নিজ জেলার উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পর জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। সরকার গঠনের মাত্র ২২ দিনের মধ্যেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ঢাকাসহ দেশের ১৪টি জেলায় একযোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরেও আনুষ্ঠানিকভাবে এর সূচনা হলো।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ খালেক (পিএসসি) ও অ্যাডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম ভিপি মুসা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলামসহ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া প্রতিটি পরিবারের ব্যাংক হিসাবে ইতোমধ্যে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা অর্থ জমা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো সরাসরি আর্থিক সহায়তা পেয়ে কিছুটা স্বস্তি পাবে।