1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
যশোরে বঙ্গবন্ধুর নাম কাপড়ে ঢেকে মলিন বিজয়স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি - bdtelegraph24.com
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ার ৯ ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী যাচাই-বাছাই কমিটির মতবিনিময় নেত্রকোণায় আবাসিক বাসায় ভারতীয় চোরাই পণ্যের গুদাম, চক্রের হোতা আটক দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিল: ডিএসসিসি প্রশাসক কালিয়াকৈরে কলোনিতে অগ্নিকাণ্ড: ৮ কক্ষের মালামাল পুড়ে ছাই কুষ্টিয়ায় লালন মাজার এলাকায় হামলার শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভূমিহীনদের চাকরি না দেওয়ার বিধান কোথায়, প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর চাকরিপ্রার্থীর ভেরিফিকেশনে বাধা: জমিহীন তরুণকে জমি দিলেন হিন্দু প্রতিবেশী ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের ঝুঁকি বাড়ে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানি নারী এজেন্টের সঙ্গে তথ্য পাচার: ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিক গ্রেপ্তার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা

যশোরে বঙ্গবন্ধুর নাম কাপড়ে ঢেকে মলিন বিজয়স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৭২ জন খবরটি পড়েছেন

নজরুল ইসলাম যশোর প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

যশোরে স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে বিজয়স্তম্ভের মলিন ও রংচটা দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা।
বৃহস্পতিবার সকালে মণিহার চত্বরের এই বিজয়স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় দেখা যায়, স্তম্ভের নিচের অংশটুকু একটি গাঢ় সবুজ রঙের কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা। তার উপরে ‘মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মরণে এই লেখাটুকু উঁকি দিচ্ছে।

সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে আসা কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা বলেন, এর নিচে লেখা আছে ১৯৭২ সালের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন করেছিলেন। সেই অংশটিই প্রশাসন ঢেকে দিয়েছে।বিজয়স্তম্ভের বেদীতে লাল কার্পেট দেওয়া হয়। পাশে শামিয়ানা টানানো একটি জায়গা থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন পর্বের ধারাবিবরণি দেওয়া হচ্ছিল।

সকালে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে যশোরে স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচির সূচনা হয়। দিনের প্রথম ভাগে বিজয়স্তম্ভে জেলা প্রশাসক আশেক হাসানের পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যে দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শুরু হয়। তারপর একে একে প্রশাসন, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা জানান।

রংচটা বিজয়স্তম্ভ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামের অংশ ঢেকে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান যশোর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি হারুন-অর-রশিদ। তিনি বলেন, প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পৌরসভা বিজয়স্তম্ভকে পরিচ্ছন্ন রাখে। এ বছর দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। মলিন নোংরা বিজয়স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে হল।আর কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হল বিজয়স্তম্ভ উদ্বোধনের স্মারকটি। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম থাকায় এ কাজটি করা হয়েছে বলে মনে হল। পুরো ব্যাপারটিই ইচ্ছাকৃত মনে হল। এদের শাস্তি হওয়া উচিৎ।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক আব্দুল মালেক বলেন, “আমি চোখ বন্ধ করে গেছি, চোখ বন্ধ করে এসেছি। তারা (প্রশাসন) এ চেতনার লোক নন।
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার মযহারুল ইসলাম মন্টু বলেন, “এ রকমটা হবে বলে আমরা একটা পক্ষ বিজয়স্তম্ভে যাইনি।তিনি বলেন, ইতিহাস কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা যায় না। এটা নোংরামি।
বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ যশোরের সম্পাদক তসলিমুর রহমান বলেন, “চব্বিশের ৫ অগাস্টের পর যে চেতনার উদ্ভব হয়েছিল, তা ছাব্বিশের মার্চে দেখতে হবে এটা আশা করিনি।

স্থানীয় একজন সংবাদকর্মী বলেন, বিজয়স্তম্ভের ওই স্মারকে লেখা আছে- ‘মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মরণে বিজয়স্তম্ভ/ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন/ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান/ ১৯৭২ সাল, ২৬ ডিসেম্বর।

বিজয়স্তম্ভের মলিন দশার কারণ জানতে চাইলে যশোরের জেলা প্রশাসক আশেক হাসান বলেন, “বিজয়স্তম্ভের সংস্কার হবে, সেজন্য কিছু করা হয়নি। আর বিজয়স্তম্ভের একটি অংশ কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এটাও সংস্কারের অংশ।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar