মোঃনাজমুল ইসলাম সবুজ শরণখোলা (বাগেরহাট)প্রতিনিধি
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বাগেরহাটের শরণখোলায় চিরকুট লিখে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা ঘটনাটি ঘটে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের পূর্ব রাজৈর গ্রামে।
মৃত্যুরা ব্যক্তিরা হলেন-মৃত্যু আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে কবির হাওলাদার (৩২) এবং তার স্ত্রী হালিমা বেগম (২৬)।এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সাথে শোক বিরাজ করছে ঐ এলাকায়।
জানা যায় কবির হালিমা দম্পতির ঘরে ২ মাসের একটি ছেলে এবং ৪ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।কবির পেশায় একজন জেলে। তিনি সাগরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
এলাকাবাসী ও কবিরের মায়ের তথ্যমতে সকাল বেলা সন্তানদের আ’র্ত’না’দ শুনে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। সন্তানদের কান্নাকাটি শোনা গেলেও এ দম্পতির কোনো আওয়াজ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তারা জানালা খুলে দেখেন কবির ও তার স্ত্রীর নি’থ’র দেহ বিছানায় পড়ে আছে।
এরপর দরজা ভে’ঙে ঘরে প্রবেশ করে বিষয়টি নিশ্চিত হন তারা। জানা যায় কবির এবং হালিমা দম্পতির সংসারে অ’শা’ন্তি এবং পারিবারিক ক’ল’হ বি’বা’দ ছিল সর্বদাই। এছাড়াও ঋণের বোঝা ছিল কবিরের।ধরণা করা হয় পারিবারিক ক’ল’হে’র জেরে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঐ দম্পতি।
তবে ছোট ফুটফুটে দুটি সন্তানের কথা না ভেবে এমন সিদ্ধান্ত কী তারা নিতে পারে? এ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে। ময়না’তদন্তের মাধ্যমে মৃ’ত্যু’র রহস্য উন্মোচন হবে বলে ধারণা করছেন প্রশাসন ও স্থানীয়রা।
মৃ’ত’দেহের পাশেই পাওয়া গেছে একটি চিরকুট যেখানে লেখা ছিল “মানসিক য’ন্ত্র’ণা এবং প্রে’সা’র আর নিতে পারছি না।তাই আমরা এমন কোথাও চলে যাচ্ছি আর ফিরে আসবো না।সবাই শান্তিতে থাকুক। আমাদের মৃ’ত্যু’র জন্য কেউ দায়ী নয়।ইতি,
কবির”