নজরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট), সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
যশোরে অভিনব প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে জেলা পুলিশের সাইবার ইনভেস্টিগেশন টিম। এ সময় প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা ১০ লাখ ৩ হাজার টাকা, ৭৭ বস্তা গমের ভূষি, সাতটি মোবাইল ফোন, ৫১টি সিমকার্ড, দুটি ল্যাপটপ, একটি মোটরসাইকেল ও স্বর্ণের গহনা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন পাবনার চাটমোহর উপজেলার নটাবাড়িয়া গ্রামের মনিরুল ইসলাম এবং একই উপজেলার দোদারিয়া গ্রামের খালেক সরদার। মনিরুলকে যশোরের নাজির শংকরপুর এবং খালেককে পুরাতন কসবা এলাকা থেকে আটক করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যে পাবনার পুটে বাজারে অভিযান চালিয়ে মালামালের একটি অংশ উদ্ধার করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই প্রতারক চক্রের সদস্যরা কাজী ফার্মস লিমিটেডের ম্যানেজার ও পরিচালক পরিচয়ে চুয়াডাঙ্গার মেসার্স আর এস ইন্টারন্যাশনালের মালিক মানিক কুমার আগরওয়ালকে ফোন করেন। তারা প্রতি কেজি ৩২ টাকা দরে ৭৫ মেট্রিক টন গমের ভূষি কেনার চুক্তি করেন। পরে ২২ ও ২৫ জুলাই দুই দফায় পাঁচটি ট্রাকে করে মালামাল সরবরাহ করা হয়।
চক্রটি ট্রাক ভাড়া, সিকিউরিটি মানি ও ভ্যাটের নামে বিভিন্ন বিকাশ নম্বর এবং ব্যাংক হিসাবে টাকা হাতিয়ে নেয়। ৩১ জুলাই পুনরায় টাকা দাবি করলে ব্যবসায়ীর সন্দেহ হয়। ২ আগস্ট ব্যবসায়ী যশোর সদর উপজেলার শান্তলা এলাকায় কাজী ফার্মস লিমিটেডের অফিসে গিয়ে জানতে পারেন, প্রতিষ্ঠানটি থেকে কোনো অর্ডার দেওয়া হয়নি এবং ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে ৩৪ লাখ ১৯ হাজার ২৫৬ টাকার মালামাল আত্মসাৎ করা হয়েছে।
যশোর জেলা পুলিশের সাইবার টিমের এসআই দেবব্রত ঘোষের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে দুই প্রতারককে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, চক্রের অন্য সদস্যদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পলাতক সহযোগী আবুল বাসারকে ধরতে পুলিশের তৎপরতা চলছে।