দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর চলতি আগস্টের শেষ সপ্তাহে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রথম ব্যাচ পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে বাজার খোলার আগেই নতুন করে সিন্ডিকেট গঠনের অভিযোগ ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কম খরচে কর্মী পাঠানো হবে এবং আগের সিন্ডিকেট বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত কোনো রিক্রুটিং এজেন্সিকে নতুন তালিকায় রাখা হবে না। প্রথম ধাপে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর বিষয়েও মালয়েশিয়াকে অনুরোধ করা হয়েছে।
তবে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির কয়েকজন সদস্যের অভিযোগ, বিএনপির কয়েকজন এমপি ও প্রভাবশালী ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ ২৫টি এজেন্সি নিয়ে নতুন সিন্ডিকেট তৈরির চেষ্টা চলছে। তাদের দাবি, এমন ব্যবস্থা করা হলে কর্মীদের মালয়েশিয়া যেতে খরচ বেড়ে যেতে পারে। তবে অভিযুক্ত রাজনৈতিক নেতারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
২০২৪ সালের ১ জুন অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে ২০১৬ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ১০, ২৫ এবং পরে ১০১টি এজেন্সিকে নিয়ে সিন্ডিকেট গঠনের অভিযোগ ওঠে।
এদিকে আগের সিন্ডিকেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিদের মালিকানাধীন এজেন্সিসহ ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার। নতুন করে বাজার চালুর ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।