নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ আগস্ট ২০২৬, বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
দেশে চলমান বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট সমাধানে সর্বনিম্ন দুই বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বর্তমান পরিস্থিতিকে অতীত থেকে পাওয়া সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিষয়ে কোনো কিছুই ছয় মাসের মধ্যে সমাধান করা সম্ভব নয়। এক বছরের মধ্যেও কোনো সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য সর্বনিম্ন দুই বছর সময় লাগবে। আমরা বিদ্যুৎ ও গ্যাসের এই সমস্যা নিয়ে লড়াই করছি।’
বিদ্যুৎ ও গ্যাস ছাড়া অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয় উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংকট নিরসনে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবকিছু করার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করছি না। গ্যাসের ক্ষেত্রে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ও অনশোর স্টোরেজ সুবিধাসহ সব বিষয় চূড়ান্ত করা হচ্ছে, যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই জানতে পারবেন।’
জ্বালানি খাতের সমন্বিত পরিকল্পনা
বিদ্যুৎ খাতে উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও সঞ্চালন ব্যবস্থা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে যে পরিসংখ্যান আসছে, বাস্তবে তা তার চেয়েও অনেক কম। তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং পাওয়ার মিক্স বা এনার্জি মিক্স নীতির জায়গা থেকে আমরা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছি।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি থাকবে, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ থাকবে। কয়লা এমন একটি সম্পদ যা আমাদের রয়েছে, আমরা কয়লাভিত্তিক বিষয়টিও খতিয়ে দেখছি। জ্বালানির একটি সমন্বিত মিশ্রণ নিয়ে আমরা এগোচ্ছি এবং এই সংমিশ্রণটি মোটামুটিভাবে নির্ধারণ করে ফেলেছি। আশা করি, যথাসময়ে আমরা বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে একটি বড় পরিবর্তন দেখতে পাবো।’