1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনের অলৌকিক নিদর্শনসমূহ - bdtelegraph24.com
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পশ্চিম তীর পূর্ণাঙ্গ অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিলেন নেতানিয়াহু সৌদি আরবের কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কুড়িগ্রামে শাবলের আঘাতে চাচিকে হত্যা, আহত ৩ ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৩৫ টন চালে বিষাক্ত আফলাটক্সিনের অস্তিত্ব টঙ্গীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ বাবা-মায়ের পর কন্যার মৃ/ত্যু সাজেকে পর্যটক ও নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর হামলার নিন্দা পিসিসিপির বাঘারপাড়ায় ৩ খাতে সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ পেল খানপুর গ্রাম চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ৫ স্থানে বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা রাঙামাটিতে বাস থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২ জুমার দিন দোয়া কবুলের মুহুর্তে যে দোয়া বেশি বেশি পড়তে হবে

রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনের অলৌকিক নিদর্শনসমূহ

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯২ জন খবরটি পড়েছেন

মো: আরিফুল ইসলাম,
পাবনা জেলা প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ জন্ম থেকে ইন্তেকাল একজন মহান রাসূলের মু‘জিযায় ভরা জীবন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পুরো জীবনই ছিল মানবতার জন্য হেদায়াত, রহমত ও শিক্ষা। মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর নবুওয়াতের সত্যতার প্রমাণ হিসাবে তাঁকে বহু মু‘জিযা (অলৌকিক নিদর্শন) দান করেছেন।

১️। জন্মের পূর্বেই সুসংবাদ:
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর আগমনের পূর্বে পূর্ববর্তী নবীদের মাধ্যমে শেষ নবীর আগমনের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর আগমন ছিল মানবজাতির জন্য। মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত।

২️। শৈশবের বরকত:
হালিমা সাদিয়া (রা:) যখন তাঁকে দুধপান করানোর দায়িত্ব নেন, তখন তাঁর জীবনে বরকতের নানা ঘটনা প্রকাশ পায়। তাঁর আগমনের সঙ্গে হালিমা (রা:)-এর পরিবারে কল্যাণ বৃদ্ধি পায় সীরাতের গ্রন্থগুলোতে এ বিষয়টি বিস্তারিত এসেছে।

৩️। চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়া:
মক্কার মুশরিকরা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে নিদর্শন চাইলে আল্লাহর ইচ্ছায় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার মু‘জিযা প্রকাশিত হয়। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, “কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে।”
সূরা আল-কামার: ১

৪️। মিরাজের মহান ঘটনা:
এক রাতে মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় নবী ﷺ-কে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত নিয়ে যান এবং সেখান থেকে আসমানসমূহে আরোহণ করান। এই মহিমান্বিত ঘটনাই ইসরা ও মিরাজ নামে পরিচিত। এই সফরে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের বিধান উম্মতের জন্য নির্ধারিত হয়।

৫️। আঙুলের এশারায় চাঁদের নিদর্শন:
চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার ঘটনাটি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর অন্যতম প্রসিদ্ধ মু‘জিযা। সাহাবায়ে কেরাম এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। এবং কুরআনেও এর উল্লেখ এসেছে।

৬️। তাঁর হাত থেকে পানি প্রবাহিত হওয়া:
সহিহ হাদিসে বর্ণিত আছে যে, কিছু ঘটনায় সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর হাতের বরকতে পানির ব্যবস্থা পেয়েছেন। অল্প পানি বহু মানুষদের প্রয়োজন মিটিয়েছে। এটি ছিল মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর নবী ﷺ-এর জন্য বিশেষ মু‘জিযা।

৭️। অল্প খাবারে বহু মানুষদের তৃপ্তি:
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনে এমন বহু ঘটনা ঘটেছে, যেখানে অল্প খাবার তাঁর দোয়া ও বরকতে অনেক মানুষদের জন্য যথেষ্ট হয়েছে। এগুলো আমাদের কে শেখায় বরকত মহান আল্লাহর হাতে।

৮️। গাছের কান্না:
রাসূলুল্লাহ ﷺ আগে একটি খেজুর গাছের কাণ্ডের পাশে দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। পরে মসজিদে মিম্বর তৈরি হলে তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে খুতবা দিতে শুরু করেন। তখন সেই খেজুরের কাণ্ড থেকে শিশুর মতো কান্নার শব্দ শোনা যায়। রাসূলুল্লাহ ﷺ নেমে এসে তাঁকে শান্ত করেন। এটি সহিহ হাদিসে বর্ণিত একটি অসাধারণ মু‘জিযা।

৯। পাথর ও গাছের সালাম:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, মক্কায় নবুওয়াতের আগে তিনি এমন পাথর চিনতেন, যা তাঁকে সালাম দিত। এটি তাঁর নবুওয়াতের বিশেষ নিদর্শনগুলোর একটি।

১০। দোয়ার মাধ্যমে বৃষ্টির ঘটনা:
এক সময় মদিনায় খরা দেখা দিলে এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে বৃষ্টির জন্য দোয়া চাইলে তিনি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। মহান আল্লাহ তাআলা বৃষ্টি দান করেন। পরবর্তীতে অতিরিক্ত বৃষ্টির জন্য দোয়া করা হলে তিনি আবার দোয়া করেন এবং মহান আল্লাহর ইচ্ছায় বৃষ্টি অন্যদিকে সরে যায়।

১১। ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মহান আল্লাহর দেওয়া সংবাদ:
মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল ﷺ-কে বহু ভবিষ্যৎ ঘটনা সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন, যার কিছু পরবর্তীতে বাস্তবায়িত হয়েছে। এগুলো তাঁর নবুওয়াতের সত্যতার নিদর্শন।

১২। হিজরতের সময় মহান আল্লাহর বিশেষ সাহায্য:
মক্কার কাফিররা যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ ও আবু বকর (রা:)-কে খুঁজতে খুঁজতে গুহার কাছে পৌঁছে যায়, তখন তাঁরা গারে সওরে অবস্থান করছিলেন। আবু বকর (রা:) চিন্তিত হলে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছিলেন,“চিন্তা করো না, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।” এ ঘটনা আমাদেরকে শেখায় বিপদের মুহূর্তেও একজন মুমিন মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখে।

১৩। বদরের যুদ্ধে মহান আল্লাহর সাহায্য:
বদরের ময়দানে মুসলিমরা সংখ্যায় কম ছিল। রাসূলুল্লাহ ﷺ মহান আল্লাহর কাছে গভীরভাবে দোয়া করেন। মহান আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের মাধ্যমে মুমিনদের সাহায্যের সুসংবাদ দেন।

১৪। মক্কা বিজয়ের সবচেয়ে বড় বিস্ময় ক্ষমা:
যারা বছরের পর বছর তাঁকে ও সাহাবিদের নির্যাতন করেছিল, মক্কা বিজয়ের দিন তাঁরা তাঁর সামনে অসহায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু প্রতিশোধের পরিবর্তে তিনি ক্ষমার পথ বেছে নিলেন। এটাই ছিল তাঁর মহান চরিত্রের অন্যতম নিদর্শন।

বড় মু‘জিযা কী?
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সবচেয়ে স্থায়ী মু‘জিযা হলো আল কুরআন। ১৪ শতাধিক বছর পেরিয়ে গেলেও কুরআন আজও মানুষদের জন্য হেদায়াতের আলো হয়ে আছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ শুধু অলৌকিক ঘটনা দেখানোর জন্য আসেননি।

তিনি এসেছিলেন মানুষদেরকে মহান আল্লাহর দিকে ডাকতে, চরিত্রকে সুন্দর করতে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে, মানুষদের প্রতি রহমত করতে এবং মানবজাতিকে জান্নাতের পথে পরিচালিত করতে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ ছিলেন মহান আল্লাহর রাসূল। তিনি ছিলেন রহমাতুল্লিল আলামিন সমগ্র জগতের জন্য রহমত। আল্লাহুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদ। একবার হলেও দরুদ শরিফ পড়ুন। “সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar