1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
ডিসেম্বরে চূড়ায় পৌঁছাবে এল-নিনো, প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত - bdtelegraph24.com
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লংমার্চ সফল করতে যশোরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ গাজীপুরে সাংবাদিক রিপনকে অপহরণ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ইসলামবিরোধী আখ্যা দিয়ে দৃষ্টিশক্তি ফেরানোর অস্ত্রোপচার নিষিদ্ধ করল তালেবান ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে রুশ বিশেষজ্ঞের সংখ্যা বাড়াচ্ছে রোসাটম মুন্সিগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে বাবা ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনকে অপরাধমূলক সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করল ট্রাইব্যুনাল গাজীপুরে পূর্বশত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, আটক কয়েকজন তুরাগ নদী থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার জনগণের পুলিশ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষককে কার্ড দেবে সরকার

ডিসেম্বরে চূড়ায় পৌঁছাবে এল-নিনো, প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫৮ জন খবরটি পড়েছেন

নিউজ ডেস্ক
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ২০২৬, সকাল ১০টা ৩৩ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বিশ্বজুড়ে চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া সৃষ্টির পেছনে থাকা এল-নিনো আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, ডিসেম্বরে এই এল-নিনোর প্রভাব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যা ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডব্লিউএমওর মাসিক ‘গ্লোবাল সিজনাল ক্লাইমেট আপডেট’ অনুযায়ী, ১৯৫০ সালের পর রেকর্ড হওয়া অন্যতম শক্তিশালী এল-নিনো হতে পারে এবারের পরিস্থিতি। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এই আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে। ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে খরা ও বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে।

সংস্থাটি জানায়, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর সময়ে মধ্য ও পূর্ব গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা রেকর্ড পরিমাণে বাড়তে পারে। এর প্রভাব বিশ্বের আবহাওয়া ব্যবস্থা, অর্থনীতি, বাস্তুতন্ত্র ও মানুষের জীবনযাত্রায় পড়তে পারে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ১৩টি শীর্ষ আবহাওয়া কেন্দ্রের ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে।

ডব্লিউএমওর প্রধান সেলেস্তে সাউলো বলেন, “এল-নিনো ইতোমধ্যেই শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে এবং খুব দ্রুত শক্তিশালী হচ্ছে। প্রায় ১০০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে যে এই পরিস্থিতি ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বজায় থাকবে। এটি ১৯৫০ সালের পর রেকর্ড হওয়া সর্বকালের অন্যতম শক্তিশালী এল-নিনো হতে পারে।”

সাউলো আরও বলেন, “এল-নিনো পৃথিবীতে নতুন করে কোনো উত্তাপ তৈরি করে না; বরং মহাসাগরে জমে থাকা তাপ মুক্ত করে। বর্তমানে যে মহাসাগর থেকে এই তাপ বের হচ্ছে, সেটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি উত্তপ্ত। ফলে সেখান থেকে মুক্ত হওয়ার মতো তাপের পরিমাণও বেশি।”

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এল-নিনোর মূল নির্দেশক সূচকের মান গত আগস্টে স্বাভাবিকের চেয়ে ২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়ে এই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা তথ্য সংগ্রহের পর থেকে সর্বোচ্চ রেকর্ড হবে। এর আগে ২০১৫-২০১৬ সালের এল-নিনোর সময় এই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

সাধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে এল-নিনো চরম আকার ধারণ করে। ২০২৩ সাল ইতিহাসের দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর এবং ২০২৪ সাল এ যাবৎকালের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর হওয়ার পেছনে এল-নিনোর প্রভাব ছিল। বর্তমানে মধ্য আমেরিকায় খরার কারণে পশুপাখি ও ফসলের ক্ষতি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএমও।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar