বাঘারপাড়া (যশোর) সংবাদদাতা।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বাঘারপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: শামছুল আরফিনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে মহিরন গ্রামের রবিউল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভাগীয় প্রাণি সম্পদ খুলনা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, এলাকাবাসী প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে গরু, ছাগল হাস মুরগী চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসলে বলেন, অফিসের নিচে গ্রাম্য পল্লী চিকিৎসক আছে তারা দেখবে। জনসাধারণকে এ কর্মকর্তা বলেন, আমার অনুমতি ছাড়া কেউ রুমে প্রবেশ করবে না। এটা কর্মকর্তার রুম এখানে কোন পাবলিকের প্রবেশের অধিকার নাই।
অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, সম্প্রতি অভিযোগকারী ছবি সত্যায়িত করতে কর্মকর্তার রুমে প্রবেশ করলে অনুমতি ছাড়া অফিসে প্রবেশ করলেন কেন। এসময় তিনি খারাপ আচরন করেন।
মহিরন গ্রামের মুরাদ হোসেন নামে এক কৃষক অভিযোগ করেন, অসুস্থ্য গরু নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। চিকিৎসা না পেয়ে ডা. শামছুল আরেফিনকে বললে তিনি উত্তর দেন না। অভিযোগ রয়েছে, রায়পুর ইউনিয়নে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ডা. শামছুল আরফিন। এসময় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে টাকা নেওয়ার
অভিযোগ করেছেন ইউনিয়নের কয়েকজন ইউপি সদস্য।
এছাড়াও সাংবাদিকরা বিভিন্ন তথ্যের জন্য অফিসে গেলে ‘প্রাণি সম্পদ ওয়েবসাইট’ দেখতে বলেন। কিন্তু সেই ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায়না।
অভিযোগের বিষয় ডা: শামছুল আরফিন বলেন, আমি চেষ্টা করি সাধ্যমত সবাইকে ভালো সেবা দেওয়ার। কিন্তু একই সময় সবাইকে সেবা দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় কেউ সংক্ষুদ্ধ হতে পারে।
যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: সিদ্দীকুর রহমান বলেন, অভিযোগকারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন। তিনিই এ বিষয়ের সমাধান করবেন।