1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
নামের আগে পত্রিকা, পেছনে প্রতারণার কারখানা - bdtelegraph24.com
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ার ৯ ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী যাচাই-বাছাই কমিটির মতবিনিময় নেত্রকোণায় আবাসিক বাসায় ভারতীয় চোরাই পণ্যের গুদাম, চক্রের হোতা আটক দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিল: ডিএসসিসি প্রশাসক কালিয়াকৈরে কলোনিতে অগ্নিকাণ্ড: ৮ কক্ষের মালামাল পুড়ে ছাই কুষ্টিয়ায় লালন মাজার এলাকায় হামলার শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভূমিহীনদের চাকরি না দেওয়ার বিধান কোথায়, প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর চাকরিপ্রার্থীর ভেরিফিকেশনে বাধা: জমিহীন তরুণকে জমি দিলেন হিন্দু প্রতিবেশী ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের ঝুঁকি বাড়ে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানি নারী এজেন্টের সঙ্গে তথ্য পাচার: ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিক গ্রেপ্তার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা

নামের আগে পত্রিকা, পেছনে প্রতারণার কারখানা

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৬ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | অনলাইন সাংবাদিকতার প্রসার যত বাড়ছে, ততই ছায়ার মতো বেড়ে উঠছে একশ্রেণির অনিবন্ধিত, নামসর্বস্ব পত্রিকা। বাহ্যিক ঝকঝকে ওয়েবসাইট, চোখ ধাঁধানো বিজ্ঞাপন আর বড় বড় আশ্বাস—সব মিলিয়ে তারা তৈরি করছে বিশ্বাসের এক মায়াজাল। কিন্তু সেই মায়ার আড়ালে লুকিয়ে আছে সংগঠিত প্রতারণার এক নীরব কারখানা।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

নতুন নতুন নাম ব্যবহার করে এসব অনিবন্ধিত অনলাইন পত্রিকা খুলে বসছে অসাধু চক্র। নেই কোনো সরকারি নিবন্ধন, নেই স্থায়ী কার্যালয়, নেই প্রকৃত জনবল। অথচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে তারা স্টাফ রিপোর্টার, জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগের ঘোষণা দেয়। চাকরি নয়, বরং নিয়োগের নামে শুরু হয় অর্থ আদায়ের উৎসব।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, কেউ কেউ প্রেস কার্ড, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, আইডি কার্ড, ক্যামেরা বা অন্যান্য ‘সংবাদ সংগ্রহের সরঞ্জাম’-এর কথা বলে এক হাজার থেকে দুই হাজার টাকা, কোথাও আবার লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করছে। বিজ্ঞাপনে আকর্ষণীয় সম্মানীর কথা দেখে অনেক তরুণ আশায় বুক বাঁধে। কিন্তু টাকা দেওয়ার পর শুরু হয় দীর্ঘ প্রতীক্ষা—মাসের পর মাস কেটে যায়, আসে না প্রেস কার্ড, আসে না কোনো সরঞ্জাম, আসে না সেই প্রতিশ্রুত সম্মানী।

যোগাযোগ করতে গেলে কখনো ফোন বন্ধ, কখনো ফেসবুক আইডি উধাও, আবার কখনো নতুন অজুহাত। এভাবেই একের পর এক মানুষ নিঃস্ব হচ্ছে, ভাঙছে স্বপ্ন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকতার সম্মান।
এই তথাকথিত প্রকাশক ও সম্পাদকরা আদতে কোনো সংবাদকর্মী নন—তারা কাগজের নাম ব্যবহার করা প্রতারক ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদের কর্মকাণ্ড শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতিই করছে না, বরং গোটা সাংবাদিকতা পেশাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি এখন একটাই—আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন অনলাইন অনিবন্ধিত পত্রিকাগুলোর বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। প্রয়োজন দ্রুত তদন্ত, প্রয়োজন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। না হলে প্রতারণার এই অদৃশ্য চক্র আরও বিস্তৃত হবে, আর প্রতিদিনই কেউ না কেউ বিশ্বাসের দামে প্রতারিত হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar