1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
ভোমরা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে মাকে শেষ বিদায় দিলেন দুই মেয়ে - bdtelegraph24.com
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ার ৯ ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী যাচাই-বাছাই কমিটির মতবিনিময় নেত্রকোণায় আবাসিক বাসায় ভারতীয় চোরাই পণ্যের গুদাম, চক্রের হোতা আটক দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিল: ডিএসসিসি প্রশাসক কালিয়াকৈরে কলোনিতে অগ্নিকাণ্ড: ৮ কক্ষের মালামাল পুড়ে ছাই কুষ্টিয়ায় লালন মাজার এলাকায় হামলার শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভূমিহীনদের চাকরি না দেওয়ার বিধান কোথায়, প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর চাকরিপ্রার্থীর ভেরিফিকেশনে বাধা: জমিহীন তরুণকে জমি দিলেন হিন্দু প্রতিবেশী ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের ঝুঁকি বাড়ে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানি নারী এজেন্টের সঙ্গে তথ্য পাচার: ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিক গ্রেপ্তার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা

ভোমরা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে মাকে শেষ বিদায় দিলেন দুই মেয়ে

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯৮ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক নিউজ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

সীমান্তের কাঁটাতার মাঝখানে থাকলেও কেবল মানবিক কারণে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ভারতে মৃত্যুবরণ করা ৯৮ বছর বয়সী বৃদ্ধা মাকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশে বসবাসরত তাঁর দুই মেয়ে।

বুধবার দুপুরে ভোমরা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বিজিবি ও বিএসএফের বিশেষ তত্ত্বাবধানে এই সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়। সীমান্তের দুই দেশের প্রহরীদের উপস্থিতিতেই তৈরি হয় এক শোকাতুর পরিবেশ।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঘোজাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা জরিনা খাতুন মঙ্গলবার রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। তাঁর দুই মেয়ে শিরিনা খাতুন ও আলেয়া খাতুন বৈবাহিক সূত্রে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হাড়দ্দহা গ্রামে বসবাস করেন। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শেষবার দেখার আকুতি জানিয়ে তাঁরা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে আবেদন করেন।

একই সময়ে ভারতের দিক থেকেও পরিবারের পক্ষ থেকে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে আবেদন জানানো হয়।

উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। বিজিবির সাতক্ষীরা ৩৩ ব্যাটালিয়নের ভোমরা বিওপি এবং ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বিএসএফ ক্যাম্প যৌথভাবে জিরো পয়েন্টে মরদেহ আনার ব্যবস্থা করে।

কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে সীমিত সময়ের জন্য দুই মেয়ে তাঁদের মৃত মায়ের মুখ দেখার এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে কথা বলার সুযোগ পান। শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহটি ভারতের অভ্যন্তরে দাফনের জন্য পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর এমন মানবিক সমন্বয়ের প্রশংসা করেছেন উপস্থিত স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar