চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফ-এর অনুসারীরা শুক্রবার, ২০ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবেন। এ উপলক্ষে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলার শতাধিক গ্রামে ইতোমধ্যে ঈদের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
দরবার সূত্র জানায়, তাদের অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা ও ঈদসহ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে একই নিয়ম অনুসরণ করে তারা ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা এবং চন্দ্র মাস সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিধান পালন করে থাকেন।
এবারও সেই ধারাবাহিকতায় প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে দরবার শরীফের খানকাহ মাঠে। এতে ইমামতি করবেন বর্তমান সাজ্জাদানশীন মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান। তিনি পূর্বসূরি শাহ জাহাঙ্গীর শেখুল আরেফীন, ফখরুল আরেফীন, শামসুল আরেফীন এবং তাজুল আরেফীন-এর ধারাবাহিকতায় দায়িত্ব পালন করছেন।
শুধু সাতকানিয়াতেই নয়, চন্দনাইশ, বাঁশখালী, আনোয়ারা, লোহাগাড়া ও সীতাকুণ্ড-সহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও ফেনী, কুমিল্লা, ঢাকা, সিলেট ও বরিশাল-এর বহু গ্রামে একই দিনে ঈদ উদ্যাপন করা হবে। এছাড়া বান্দরবান ও কক্সবাজার-এর কিছু এলাকাতেও অনুসারীরা শুক্রবার ঈদ পালন করবেন।
দরবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হানাফি মাজহাবের অনুসারী হিসেবে তারা চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে সময়ের ব্যবধান, বিভিন্ন দেশের চন্দ্রদর্শনের তথ্য এবং বৈজ্ঞানিকভাবে দ্রাঘিমাংশ ও অক্ষাংশে চাঁদের অবস্থান বিবেচনা করেন। এছাড়া মক্কা-মদিনাসহ আরব বিশ্বে চাঁদ দেখার সংবাদ দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে তারা ঈদ উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।