1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
গ্রিন কোজি কটেজ আগুনে ৪৬ মৃত্যু-তদন্তে উঠে এলো ভয়াবহ অব্যবস্থাপনা - bdtelegraph24.com
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ার ৯ ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী যাচাই-বাছাই কমিটির মতবিনিময় নেত্রকোণায় আবাসিক বাসায় ভারতীয় চোরাই পণ্যের গুদাম, চক্রের হোতা আটক দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিল: ডিএসসিসি প্রশাসক কালিয়াকৈরে কলোনিতে অগ্নিকাণ্ড: ৮ কক্ষের মালামাল পুড়ে ছাই কুষ্টিয়ায় লালন মাজার এলাকায় হামলার শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভূমিহীনদের চাকরি না দেওয়ার বিধান কোথায়, প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর চাকরিপ্রার্থীর ভেরিফিকেশনে বাধা: জমিহীন তরুণকে জমি দিলেন হিন্দু প্রতিবেশী ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের ঝুঁকি বাড়ে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানি নারী এজেন্টের সঙ্গে তথ্য পাচার: ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিক গ্রেপ্তার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা

গ্রিন কোজি কটেজ আগুনে ৪৬ মৃত্যু-তদন্তে উঠে এলো ভয়াবহ অব্যবস্থাপনা

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০১ জন খবরটি পড়েছেন

রাজধানীর বেইলি রোড-এর গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ২০২৪ সালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা Criminal Investigation Department (সিআইডি)। ঘটনার দুই বছর পর মঙ্গলবার আদালতে দেওয়া এই অভিযোগপত্রে আগুনের কারণ ও হতাহতের পেছনের একাধিক অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

তদন্তে বলা হয়েছে, ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত প্রায় ১০টার দিকে ভবনের নিচতলায় থাকা ‘চায়ের চুমুক’ কফি শপের একটি বৈদ্যুতিক কেটলি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ভবনের বিভিন্ন তলায় আটকা পড়েন বহু মানুষ।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ভবনের ভেতরে থাকা ‘কাচ্চি ভাই’ রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক জেইন উদ্দিন জিসান-এর নির্দেশে রেস্টুরেন্টটির দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, যাতে কোনো গ্রাহক বিল পরিশোধ না করে বের হতে না পারেন। এর ফলে ভেতরে থাকা অধিকাংশ মানুষ ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যান।

সিএমএম আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন জানান, দরজা বন্ধ থাকায় ভেতরে থাকা লোকজন বের হতে পারেননি, যা হতাহতের সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ভবনটিতে একাধিক রেস্টুরেন্ট নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত হচ্ছিল এবং সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। জরুরি নির্গমন পথের অভাব, সিঁড়িতে গ্যাস সিলিন্ডারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা এবং ছাদে অবৈধ ডুপ্লেক্স রেস্টুরেন্ট থাকায় মানুষ নিরাপদ আশ্রয় পেতে ব্যর্থ হন।

এ ঘটনায় নিহত ৪৬ জনের মধ্যে ৩ জন আগুনে পুড়ে এবং ৪৩ জন ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া লিপইয়ার উপলক্ষে সেদিন রেস্টুরেন্টে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ভিড় ছিল, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

ঘটনার পর রমনা থানা-য় মামলা দায়ের করা হয় এবং পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি। তদন্ত শেষে ভবনের মালিকপক্ষ আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রমজানুল হক নিহাদসহ মোট ২২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জন বর্তমানে জামিনে রয়েছেন, বাকিরা পলাতক।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar