1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে ৫৫০ কোটি টন কয়লার মজুদ: জ্বালানি সংকটে নতুন আশার আলো - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্যামনগরে বিআরটিসি বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত রাজশাহীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন: বেকারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা সাত ধাপে ইউপি নির্বাচনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত ইসির, ভোট শুরু ১২ নভেম্বর কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধ: সালিশ না মানা মোস্তাফিজের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন মাদক, নৈরাজ্য ও অনলাইন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ববি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ মাতুব্বরনামা আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে সীমান্ত হত্যা সাতকানিয়ায় পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু যৌন হয়রানির অভিযোগে মনিরামপুরে শিক্ষক পুলিশ হেফাজতে ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়নের ঘোষণা, মুসলিম সমাজে উদ্বেগ

জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে ৫৫০ কোটি টন কয়লার মজুদ: জ্বালানি সংকটে নতুন আশার আলো

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৩ জন খবরটি পড়েছেন

নিউজ ডেস্ক
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬), দুপুর ১১টা ৪৪ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রে প্রায় ৫৫০ কোটি টন কয়লার মজুদের নতুন তথ্য পাওয়া গেছে, যা দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে এই কয়লাক্ষেত্রের বিস্তৃতি ৬৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

১৯৬২ সালে আবিষ্কৃত জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রটি এতদিন ১০০ কোটি টন মজুদের হিসাবের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত ছিল। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় ১৪টি কূপের তথ্য বিশ্লেষণ করে মজুদের এই বিশাল পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। খনির কোনো কোনো স্থানে কয়লাস্তরের পুরুত্ব ৪৪ মিটার পর্যন্ত পাওয়া গেছে।

জামালগঞ্জের কয়লা ভূগর্ভের ৬৪০ থেকে ১,১৫৮ মিটার গভীরে অবস্থিত হওয়ায় প্রচলিত পদ্ধতিতে উত্তোলন ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচলিত খনি খননের পরিবর্তে ‘আন্ডারগ্রাউন্ড কোল গ্যাসিফিকেশন’ (ইউসিজি) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূগর্ভেই কয়লাকে গ্যাসে রূপান্তর করা সম্ভব। গবেষণায় ইউসিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জামালগঞ্জকে ৯৩.৬ শতাংশ সম্ভাবনাময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা জানান, আমদানিনির্ভরতা কমাতে নিজস্ব খনিজ সম্পদের সঠিক ব্যবহার জরুরি। ২০২৬ অর্থবছরে দেশে কয়লা আমদানির পরিমাণ ২০.৭ মিলিয়ন টনে পৌঁছেছে, যার জন্য প্রায় ১৪৫ বিলিয়ন টাকা ব্যয় হয়েছে। নিজস্ব উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

তবে ৫৫০ কোটি টন কয়লাকে সরাসরি উত্তোলনযোগ্য মজুদ হিসেবে গণ্য করার আগে পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) প্রয়োজন। খনিজ সম্পদের বাণিজ্যিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে আধুনিক থ্রিডি ভূতাত্ত্বিক জরিপ, পাইলট প্রকল্প এবং পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ (ইআইএ) করা এখন সময়ের দাবি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

X