বাঘারপাড়া(যশোর) প্রতিনিধি।।
বাঘারপাড়ার খানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ধ্রুব দাস(১৮)কে বাঁচানো গেল না।
ধ্রুব দাস বাঘারপাড়ার নারিকেল বাড়িয়া ইউনিয়নের ক্ষেত্রপালা গ্রামের দুলাল চন্দ্র দাসের ছোট ছেলে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
এসএসসি পরীক্ষার্থী ধ্রুব দাস গত ৯ মে সোমবার বিকালে বাবা- মায়ের সাথে ধানের কাজ শেষ করে পাড়ার চৌমাথা রাস্তার দোকানে যায়। একটু পরেই বাবা দুলাল চন্দ্র দাস পুনরায় বাড়িতে কাজ করার জন্য তাকে আবার ডাকতে গিয়ে প্রচন্ড বকাবকি করেন। বাবার প্রচন্ড বকাবকি সইতে না পেরে অভিমানী ধ্রুব দাস বাড়িতে গিয়ে বাপের সাথে কাজ করার পরে রাতে বিষ পান করে।
বিষ পানের বিষয়টি জানতে পেরে গভীর রাতে তাকে শালিখা হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ্য হলেও ২ দিন পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ১২ মে রাতে তাকে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু সেখানে চিকিৎসকদের প্রাণান্তকর চেষ্টার পরেও তাকে বাঁচানো যায় নি । বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ধ্রুব শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে।
শুক্রবার (১৩ মে) বিকালে তার লাশ বাড়িতে আনা হলে খানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক,ছাত্রছাত্রীবৃন্দ,কয়েক গ্রামের আত্মীয়স্বজনসহ কয়েক হাজার গ্রামবাসি তাকে একনজর দেখতে ছুটে আসেন। এসময় সকলেই শোকে চোখের জল ফেলেন । পরে এদিন বিকালেই তাকে নারিকেল বাড়ীয়া মহা শ্মশানে সমাধিস্ত করা হয়। উল্লেখ্য দুলাল চন্দ্র দাসের বড় ছেলে ও বৌমা ২জনই পুলিশ কনস্টেবলের চাকরী করেন।