মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ২০২৬, দুপুর ১২টা ১০ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের যানজট নিরসন ও যোগাযোগব্যবস্থা আধুনিকায়নে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাইপাস, চার লেন সড়ক এবং ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) সমীক্ষার ভিত্তিতে পটিয়া, দোহাজারী, কেরানীহাট, আমিরাবাদ ও চকরিয়ায় এই অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটির বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে।
প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, পাঁচটি স্থানে মোট ২৪ দশমিক ১ কিলোমিটার সড়ক ও উড়ালসড়ক নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে পটিয়ায় ৫ দশমিক ৪ কিলোমিটার, দোহাজারীতে ৩ দশমিক ৩ কিলোমিটার, কেরানীহাটে ৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার, আমিরাবাদে ৫ দশমিক ১ কিলোমিটার এবং চকরিয়ায় ৬ দশমিক ৮ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পটিয়া ও চকরিয়ায় বাইপাস নির্মাণ এবং দোহাজারী ও আমিরাবাদে বিদ্যমান মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হবে।
সাতকানিয়ার কেরানীহাটে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের সঙ্গে সড়কপথের সংঘাত এড়াতে ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। কেরানীহাটের উড়াল অংশে ছয় লেনের সড়ক সুবিধা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্য অংশগুলোতে ভবিষ্যতে ছয় লেনে উন্নীত করার সুযোগ রেখে চার লেনের সড়ক নির্মাণ এবং স্থানীয় ও ধীরগতির যানবাহনের জন্য দুই পাশে পৃথক সার্ভিস রোড রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
জাইকার সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ। নির্মাণাধীন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে এ মহাসড়কে পণ্যবাহী যানবাহনের চাপ আরও বাড়বে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে মাতারবাড়ী বন্দরের যোগাযোগ সহজ করা এবং যাত্রী ও পণ্য পরিবহন নিরাপদ করতে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ যানজটপূর্ণ এলাকাগুলো উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের উপপরিচালক নাসরিন আরা শাহীন বলেন, “প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৬ দশমিক ৬০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৭০৪ দশমিক ৭২ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সহায়তা থেকে ৫ লাখ ৭০ হাজার ৯১১ দশমিক ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে।”