1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
জার্মানিতে খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদের হাতে অন্তত ৫ হাজার ৭'শ শিশু যৌন হয়রানির শিকার - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন

জার্মানিতে খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদের হাতে অন্তত ৫ হাজার ৭’শ শিশু যৌন হয়রানির শিকার

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০২২
  • ২৮২ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট।।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

জার্মানির মানস্টার অঞ্চলে ক্যাথলিক খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদের হাতে শিশু যৌন হয়রানির ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। ওই অঞ্চলে গির্জাসহ খ্রিষ্টানদের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অন্তত ৬০০টি যৌন নিপীড়নের ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে ১০ গুণের বেশি হতে পারে। 

সোমবার জার্মানির মানস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ২০১৮ সালে করা আগের গবেষণার চেয়ে এ সংখ্যা এক-তৃতীয়াংশ বেশি।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, মানস্টার অঞ্চলে ৬১০ জনের যৌন হয়রানির ঘটনা আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত রয়েছে। তবে এ অঞ্চলে আসলে ১৯৬ ধর্মযাজকের হাতে পৃথকভাবে অন্তত ৫ হাজার ৭০০টি যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। ৫ শতাংশ ধর্মযাজকের বিরুদ্ধে একাধিক যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। তাদের হাতে ১০ জনের বেশি শিশু নিপীড়নের শিকার হয়। তবে অভিযুক্ত ধর্মযাজকদের মধ্যে ১০ শতাংশের কম আইনের মুখোমুখি হয়েছেন।

জার্মানির ওই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি যৌন নিপীড়ন হয়েছে গত শতকের ষাট ও সত্তরের দশকে। ওই সময়ে মানস্টার অঞ্চলে প্রতি সপ্তাহে গড়ে দুটি করে এমন ঘটনা ঘটেছে। হয়রানির শিকার চারজনের মধ্যে তিনজনই বালক। তাদের বেশির ভাগের বয়স ১০ থেকে ১৪ বছর।

এই বালকেরা পরে মানসিক নানা সমস্যায় ভুগেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। অনেকের মধ্যে বিষণ্নতা দেখা দিয়েছে। এমনকি আত্মহত্যার ভাবনাও এসেছে অনেকের মাথায়। যৌন হয়রানির কারণে ২৭ জন আত্মহত্যারও চেষ্টা করেন বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

মানস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবেদনে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে ফেলিক্স জেনের দিকে। তিনি ২০০৯ সাল থেকে মানস্টার অঞ্চলের বিশপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বলা হচ্ছে, যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর ফেলিক্স জেন বলেন, যৌন হয়রানি সামাল দিতে তিনি যেসব ভুল করেছেন, সেগুলোর দায় নেবেন। এ নিয়ে আগামী শুক্রবার বিস্তারিত কথা বলবেন বলে জানান তিনি।

এর আগে ২০১৮ সালে জার্মান বিশপ কনফারেন্সে যৌন হয়রানি-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৪৬ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জার্মানিতে ৩ হাজার ৬৭৭ জন অপ্রাপ্তবয়স্ককে কোনো না কোনোভাবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে। এতে জড়িত ১ হাজার ৬৭০ জন ধর্মযাজক।

মিউনিখ ও ফ্রেইসিং অঞ্চলেও ধর্মযাজকদের হাতে শিশুদের যৌন নিপীড়নের তথ্য উঠে আসে অন্য একটি প্রতিবেদনে। গত জানুয়ারিতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট যখন মিউনিখের বিশপ ছিলেন, তখন গির্জায় শিশুদের যৌন নিপীড়ন ঠেকাতে ব্যর্থ হন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar