নিজস্ব প্রতিবেদক।।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর দিক দিয়ে প্রবহমান চিত্রা নদী। এ নদীর উপর আজো কোন সেতু নির্মীত না হওয়ায় নদীর দু’পারে অবস্থিত বাঘারপাড়া ও শালিখা উপজেলার প্রায় ১০ গ্রামের মানুষের নদী পারাপারে একমাত্র ভরসা স্থানীয় ভাবে নির্মীত বাঁশের সাঁকো। এখানে বর্ষা মৌসুমের আগে একটি সেতু নির্মানের দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে, বাঘারপাড়া উপজেলার নারিকেল বাড়িয়া ইউনিয়নের খানপুর বাজার পাশে চিত্রা নদীর উপর স্থানীয় জনসাধারনের নির্মান করা বাঁশের সাঁকো দিয়ে এপার-ওপার চলাচল করছে শত শত মানুষ। বাঁশের সাঁকোর দক্ষিন দিকে অবস্থিত খানপুর বাজার,খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খানপুর সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও খানপুর বাজার হাফেজিয়া মাদ্রাসা অবস্থিত। বাজারসহ এসব প্রতিষ্ঠানে সাঁকোর উত্তর পাশে অবস্থিত শালিখা উপজেলার হরিশপুরসহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে সাধারন মানুষ এবং শিক্ষার্থীরা সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, চিত্রা নদীতে একটি সেতু না থাকায় স্থানীয়ভাবে নির্মীত বাঁশের সাঁকোতেই চলাচল করেন পার্শ্ববর্তী সদুল্যপুর,দৌলতপুর,পাইকপাড়া, ক্ষেত্রপালা,সিলুমপুর, হরিশপুর ,সীমাখালী , খোলাবাড়ি,পাঁচকাহুনিয়া,আড়ুয়াকান্দি গ্রামের মানুষ।
এই নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়েই শালিখা উপজেলার কয়েকটি গ্রামের ছেলে মেয়েরা চিত্রা নদী পার হয়ে বাঘারপাড়া উপজেলার খানপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও খানপুর এস দাখিল মাদ্রাসায় পড়ালেখা করছে। বাঁশের সাঁকো পার হতে গিয়ে অনেক ছেলে-মেয়ে পা পিছলে নদীর পানিতে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এলাকাবাসী জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও খানপুর গ্রামে রয়েছে একটি বাজার ।সেখানে সপ্তাহে দু’দিন হাট এবং এক দিন বাজার বসে। এই হাট-বাজারে শালিখার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ নিয়মিত প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র কেনা-বে৬চা করতে আসেন। এতে করে তাদের পোহাতে হয় সীমাহীন দূর্ভোগ। অপরদিকে বাঘারপাড়া উপজেলার শত শত মানুষ এই সাঁকো পার হয়ে শালিখা উপজেলার বড় মোকাম সিমাখালী যাতায়াত করে থাকেন। সেখানেও সপ্তাহে দু’দিন হাট বসে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে যশোর-৪ এর সংসদ সদস্য রণজিৎ রায় সাঁকো টি পরিদর্শন করেছেন। তিনি এখানে ছোট সেতু নির্মানের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন বলে তারা আরোও জানান।