1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এসে নির্যাতনের শিকার তরুণী - bdtelegraph24.com
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে কলোনিতে অগ্নিকাণ্ড: ৮ কক্ষের মালামাল পুড়ে ছাই কুষ্টিয়ায় লালন মাজার এলাকায় হামলার শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভূমিহীনদের চাকরি না দেওয়ার বিধান কোথায়, প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর চাকরিপ্রার্থীর ভেরিফিকেশনে বাধা: জমিহীন তরুণকে জমি দিলেন হিন্দু প্রতিবেশী ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের ঝুঁকি বাড়ে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানি নারী এজেন্টের সঙ্গে তথ্য পাচার: ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিক গ্রেপ্তার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা ঢাকা জেলায় সাব-রেজিস্ট্রার বদলি হবে লটারির মাধ্যমে

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এসে নির্যাতনের শিকার তরুণী

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৭৪ জন খবরটি পড়েছেন

ইলিয়াস হোসাইন।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এসে এক তরুণী (২৬) নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকালে মির্জাগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের মুন্সিরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের শাখায়েত হোসেনের ছেলে মাহাবুব আলম আলমীর’র (৩২) সঙ্গে বিয়ের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে তার বাড়িতে অবস্থান করেন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার সায়েমখোলা গ্রামের ওই তরুণী (২৬)। এ সময় তাকে আলমীর, তার বাবা-মা, বোন ও ভগ্নিপতি মিলে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এতে তিনি আহত হলে স্থানীয়দের সহায়তায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। পরে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। অভিযুক্ত প্রেমিক আলমীর বর্তমানে এনএসআই এর ভোলা কার্যালয়ে কর্মরত আছেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই তরুণীর বোন স্ব-পরিবারে ঢাকায় বসবাস করেন। ২০১১ সালে সে বোনের বাসায় বেড়াতে গেলে বাস গাড়িতে বসে মাহাবুব আলম আলমীর’র সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর থেকে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ হয় এবং পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্ক তৈরী হয়। তাদের প্রেমের সম্পর্ক গভীর হলে সে প্রায় সময়ই প্রেমিক আলমীরকে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে সে (আলমীর) তাকে বিবাহ করার কথা বলে একটি কাগজে স্বাক্ষর নেয় এবং বলে পরবর্তীতে উভয় পক্ষের আলোচনা সাপেক্ষে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করে বাড়ীতে নিয়ে যাবে। এরপর দীর্ঘ ১১/১২ বছর যাবৎ তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলতে থাকে। এর মধ্যে ২০২০ সালে এনএসআই তে কম্পিউটার অপারেটর হিসাবে চাকুরী পায় আলমীর। এরপর থেকে হঠাৎ ওই তরুণীর সাথে সকল প্রকার যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় সে। পরবর্তীতে একাধিকবার তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও না পেয়ে বাড়ীর ঠিকানা সংগ্রহ করে আলমীরের বাড়িতে চলে আসে ওই তরুণী।

তখন স্থানীয় লোকজন বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করে এবং পরবর্তীতে উভয় পক্ষের লোকজনের সম্পত্তিক্রমে তাদেরকে বিবাহ দিবে বলে আস্বস্থ করলে সে (তরুণী) নিজ বাড়িতে চলে যায়। কিন্তু পরবর্তীতে আলমীর’র পক্ষ থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত ওই তরুণীর সঙ্গে কোন যোগাযোগ করেনি। ঘটনার ২/৩ দিন পূর্বে আলমির’র ভগ্নিপতি বাদশা ওই তরুণীকে ফোন করে বলে আলমীর ২/৩ দিনের মধ্যে বিবাহ করবে। এই খবর পেয়ে গত বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) আবারও আলমীরের বাড়িতে আসে ওই তরুণী। তখন তাকে দেখে আলমীর ও তার পরিবারের লোকজন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে সে ঘরে উঠতে গেলে তারা তাকে টেনেহিঁচড়ে বাড়ীর সামনে রাস্তায় নিয়ে এসে লাঠি দিয়া এবং এলোপাথারীভাবে কিল-ঘুষি মেরে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা-ফুলা জখম করে। এ সময় তারা আবারও তাদের বাড়িতে আসলে তাকে খুন করিয়া লাশ গুম করবে বলে হুমকী দেন।

নির্যাতিত ওই তরুণী বলেন, ১১/১২ বছর যাবত আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলে। আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নানাভাবে ব্যবহার করে আসছিলেন আলমীর। এমনকি সে আমাকে নানা রকম প্রলোভন দেখিয়ে আমার সাথে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও করেছে। আজ আমি নিরুপায় অথচ আমাকে স্বীকার না করে উল্টো নির্যাতন করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ বিষয়ে মাহাবুব আলম আলমীর কে মুঠোফোনে কল করে জিজ্ঞেস করলে তিনি প্রশ্ন শুনে কোন উত্তর না দিয়েই লাইনটি কেটে দেন।

আলমীর’র বাবা সাখায়েত হোসেন বলেন, আমার ঘরে কোন মেয়ে আসেনি এবং আমরা কাউকে মারধর করিনি।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar