শ্যামনগর প্রতিনিধি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
সাতক্ষীরা রেঞ্জ সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের অভয়ারণ্যে ঘোষিত দোবেকী, পুষ্পকাটি, নটাবেকী এলাকা হতে বন বিভাগের বিশেষ অভিযানে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা নুরুল আলম এর নেতৃত্বে ১০ জেলেকে আটক ও মাছ কাঁকড়া ধরা ১৫টি নৌকা জব্দ করেছে।
আটককৃত জেলেরা হলেন, চকবার গ্রামের আবু মুছার ছেলে মহিউদ্দিন, ১০নং সোরা গ্রামের আব্দুল হক, ডুমুরিয়া গ্রামের মৃত করিম তরফদারের পুত্র আব্দুল হাই তরফদার, প্রতাপনগর গ্রামের খালেক ফকিরের পুত্র জহুরুল ইসলাম, আমিন মোড়লের পুত্র আবুল কালাম, হান্নান শেখ এর পুত্র শামীম শেখ, দাতিনাখালী গ্রামের শাহাজান গাজী, আরশাদ উদ্দীন গাজীর পুত্র নুরী আলম, হাবিবুর গাজীর পুত্র আব্দুল হান্নান পাতাখালী চন্ডীপুর গ্রামের তৈয়বুর রহমান। বন বিভাগ সুত্রে জানা যায়, গত ৩ দিনের সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে এলাকায় চিরুনী অভিযানে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা নুরুল আলমের নেতৃত্বে দোবেকী, পুষ্পকাটি, নটাবেকী অভয়ারণ্যে এলাকা হতে ১০ জেলে আটক ১৫ টি নৌকা জব্দ করা হয়েছে। আটককৃত জেলেরা স্থানীয় দালাল চক্রের মাধ্যমে চুক্তি ভিত্তিক সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিল।
স্থানীয় জেলেদের সুত্রে জানা যায়, বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের চিহ্নিত দালাল ইসমাইল সানা, অয়ন, আবু সালেহের মাধ্যমে বন বিভাগের অসাধু কর্মকর্তার সাথে এই চুক্তি সম্পূর্ন করে। আটককৃত এক জেলে বলেন আমার নৌকার চুক্তি ছিল পুস্পকাটী বন অফিসের সাথে কিন্তু হটাৎ দেখি বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তার টহল বোর্ড আমাদের কে ডেকে আটক করে।
এবিষয় বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা নুরুল আলম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন অভয়ারণ্যে এলাকা হতে আটক কৃতদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তুতি চলছে।