নাইমা আক্তার মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির অন্যান্য দিনের মতো সেদিনও মাদ্রাসার ক্লাস শেষে বান্ধবীদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করে বাড়ি ফিরে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একবারও বুঝতে পারেনি, পরের দিন সকালটা তার জন্য ভিন্ন রকমের হবে। সকালে উঠে দেখে সে ছেলেতে রূপান্তরিত হয়েছে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) নাইমা ছেলেতে রূপান্তর হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তাদের বাড়িতে এখন শত শত মানুষের ভিড়। ভিড় সামলাতে ঘর থেকে তাকে রাখা হয়েছে বাড়ির উঠানে। মানুষের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারটিকে।
দিনাজপুরের সর্ব দক্ষিণে উপজেলা বিরামপুরের সীমান্তঘেষা এলাকা জোতবানী। ওই এলাকার কসবা সাগরপুর গ্রামের কমর আলীর প্রথম স্ত্রীর মেয়ে নাইমা আক্তার চতুরপুর দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠে সে তার শরীরের পরিবর্তন দেখতে পায়।
বিষয়ে নাইমার বাবা কমর আলী বলেন, আমার মেয়ে মঙ্গলবার মাদ্রাসা থেকে এসে প্রতিদিনের মতো তার বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলছে। আমরা পরিবারের সবাই রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ি। নাইমাও তার ঘরে শুয়ে পড়ে। সকালে ঘুম থেকে উঠে কাউকে কিছু না বললেও পরে তার মাকে জানাই তার শরীরের পরিবর্তনের কথা। পরে আমাকে জানায় নাইমার মা। বিষয়টা প্রথমে কাউকে না বললেও পরবর্তীতে আমি আমার মুরুব্বিদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টা কনফার্ম হয়েছি।
এই বিষয়টাকে অলৌকিক বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় আলেমসহ বয়োজ্যেষ্ঠরা। তবে ভিন্নমত চিকিৎসকদের। এ বিষয়ে হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার সুলতান মাহমুদ বলেন, এটি হরমোন জনিত বিষয়। তিনি আরও বলেন, আমরা অনেক সময় দেখি একজন মেয়ে হিসেবে বড় হয়। কিন্তু হরমোনের কারণে পরে সে ছেলে হতে পারে। আবার একটা ছেলে ছোট থেকে ছেলে হিসেবে বড় হয়েছে। তার নামও রাখা হয়েছে ছেলেদের। কিন্তু বড় হয়ে হরমোনের কারণে সে মেয়ে হয়ে যেতে পারে। সূত্র: সময়টিভি