শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের শরণখোলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্যোগে বাল্য বিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেল স্কুল ছাত্রী মীম আক্তার(১৩)।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ঘটনাটি ঘটেছে ২৫ অক্টোবর রাত সাড়ে এগারোটার দিকে উপজেলার মালিয়া রাজাপুর গ্রামে।
এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জাহিদুল ইসলাম শামিম বর ও কনে পক্ষকে ১০ হািজার টাকা জরিমানা করেছেন।
নির্বাহী কর্মকর্তার কার্য্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের মালিয়া রাজাপুর গ্রামের মৃত্য বাদশা হাওলাদারের মেয়ে ও জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মীম আক্তারের সাথে খোন্তাকাটা ইউনিয়নের নলবুনিয়া গ্রামের মো: সরোয়ার হাওলাদারের ছেলে মোঃ ইসা হাওলাদার(১৯)সাথে বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছিল। এমন গোপন সংবাদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জাহিদুল ইসলাম শামিম শরণখোলা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ইকরাম হোসেনের সহযোগীতায় গত বুধবার(২৫ অক্টেবর) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে কনের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে বর মোঃ ইসা হাওলাদার ও কনের মা নাজমা বেগমকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট দশ হাজার টাকা অর্থদন্ড জরিমানা করে অনাদায়ে সাত দিনের জেল প্রদান করে।
এ ব্যাপারে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জাহিদুল ইসলাম শামিম বলেন, উপজেলায় বাল্যবিবাহ রোধে তার এ রকম অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি উপজেলার সচেতন মহলকে বাল্য বিবাহ রোধে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করার আহবান জানান। এছাড়া গোপনে কোনো বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হলে সংশ্লিষ্ট পরিবারের অভিভাবক, বর, আয়োজক ও নিকাহ রেজিস্ট্রারকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আস্বস্থ করেন।