1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
খানপুর শিববাড়ির ঘাটে সেই বাঁশের সাঁকোই রয়ে গেল,৫‘শ বছরেও ২০ গ্রামের মানুষের কষ্ট লাঘব হলো না - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ: কলেজ পায়নি ৫ হাজার শিক্ষার্থী ঘুষ গ্রহণকে যৌক্তিক দাবি করা এএসআই ইলিয়াস ক্লোজড মেসিকে সম্মান জানাতে এলেও গোল উপহার দেবেন না বেনিন গোলরক্ষক লোহাগাড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: হুমকির মুখে ফসলি জমি ও জীববৈচিত্র্য শিক্ষকরা আলোকিত জাতি গঠনের কারিগর, দুর্গাপুরে আলোচনা সভায় বক্তারা ‘পোশাক লাগিয়েছি ঘুষ খাওয়ার জন্যই’: হবিগঞ্জে এএসআইয়ের ভিডিও ভাইরাল পার্বত্য সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ৩৭ বিজিবির নিয়মিত অভিযান কালিয়াকৈরে তীব্র এলপিজি সংকট: বাড়তি দামেও মিলছে না সিলিন্ডার বনদস্যুদের সহযোগিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মেহেদী, বিল্লাল ও ইয়াসিনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

খানপুর শিববাড়ির ঘাটে সেই বাঁশের সাঁকোই রয়ে গেল,৫‘শ বছরেও ২০ গ্রামের মানুষের কষ্ট লাঘব হলো না

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৩
  • ২৭৮ জন খবরটি পড়েছেন

লক্ষ্মন চন্দ্র মন্ডল,বাঘারপাড়া(যশোর)।
যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার উত্তর প্রান্তের গ্রাম খানপুর। অন্যদিকে মাগুরা জেলার দক্ষিনে শালিখা উপজেলার দক্ষিন সীমানার নদী চিত্রা। এই চিত্রা নদীর উত্তর পাড়ের গ্রাম হরিশপুরের মাঝে চিত্রা নদীর দক্ষিন পাড়ে খানপুর শিববাড়ির ঘাট।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

যুগের বিবর্তনে প্রায় ৫‘শতাধিক বছর অতিক্রান্তের পরও অদ্যবধি কোন সেতু নির্মাণ হলো না। কালের বিবর্তনে উভয় পাড়ের নদী সংশ্লিষ্ট অন্তত ২০টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের চলাচলের জন্য সেই বাঁশের সাকোই রয়ে গেল। যখন থেকে নদী পথে মানুষের চলাচল শুরু হয়েছিল তখন থেকেই চালু হয়েছিল এই খানপুর শিববাড়ির ঘাটে খেয়া নৌকার পারাপার। নদী পথে যোগাযোগের শুরু থেকেই জনশ্রুতিতে জানা যায় সেই আমলে খেয়া নৌকার মাঝিরা পারাপারের কড়ি হিসাবে উভয় পাড়ের অন্তত ২০ গ্রামের লোকের বাড়ি বাড়ি ধান আদায় করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতো।

কথিত আছে মোঘল সম্রাট শেরশাহের আমলে জমিদারদের রাজত্বের আমলে চিত্রা নদীর তীরে খানপুর গ্রামে শিব মন্দির নির্মিত হয়। সেই আমলে শিব মন্দির ঘিরে এখানে হাট বাজার গড়ে ওঠে। বাজার ঘেষে চিত্রা নদী পারাপার হতে শিববাড়ি ঘাট ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। সেই আমলে ব্যাবসা বানিজ্যে এই চিত্রা নদী দিয়ে সওদাগরেরা ঢাকা,খুলনা,বরিশাল-কলিকাতাসহ বিভিন্ন দূর দূরান্তে নদী পথেই চলাচল করত। বড় বড় পানসি নৌকা,জাহাজ এই শিববাড়ি,ঘাটেই ভীড়তো। নদীর এপার ওপার করার জন্য মাঝিরা খেয়া নৌকায় পারাপার করত। পরবর্তীতে স্থলপথে রাস্তাঘাটের প্রসার লাভ হওয়াই খেয়া পারাপার বন্ধ হয়ে পড়ে। তখন উভয় পাড়ের গ্রামগুলোর মানুষ বাশেঁর সাকো নির্মান করে চলাচল অব্যাহত রাখে। উভয় পাড়ের স্বানীয় গ্রামবাসী নিজেদের অর্থায়নে প্রতিবছর এই বাঁশের সাকো নির্মাণ করে থাকে।

শিববাড়ি ঘাটের পাড়েই খানপুর বাজার,খানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও খানপুর দাখিল মাদ্রাসা রয়েছে। প্রতিবছর ঝুঁকিপুর্ন এ বাশেঁর সাকোঁ দিয়ে কয়েক‘শ শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন পারাপার হয়ে স্কুল মাদ্রাসায় যাওয়া আসা করে থাকে। বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক জীবনের ঝুকি নিয়ে এই বাঁশের সাকো দিয়েই পারাপার হয়ে থাকে। এখানকার বাসিন্দাদের এমন দূর্দশা লাঘবে একটি স্থায়ী সেতু নির্মানের জন্য স্থানীয়রা সংশ্লিষ্কর র্তৃপক্ষের কাছে বার বার আবেদন নিবেদন করেছেন তবে আশ্বাস মিললেও মেলেনি ব্রীজ। এমনকি সাঁকো নির্মানের জন্য সরকারি কোন অনুদানও মেলেনি।

প্রতিবছর দুপারের বাসিন্দারা সেচ্ছাশ্রমে নিজেদের প্রয়োজনে বাশেঁর সাঁকো নির্মান করে থাকেন। চাঁদা তুলে কেনেন বাঁশখুটি। এটি তত্বাবধান করে থাকেন খানপুর বাজার কমিটি। একপর্যায়ে বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে গেলে স্থানীয়দের চলাচলে দুর্ভোগ চরমে পৌছে যায়।

বাজার কমিটির সভাপতি অশোক বিশ্বাস জানান- সপ্তাহে দুদিন শুক্র ও সোমবার খানপুরে হাট বসে। নদীর উত্তর পাড়ের শালিখা উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পন্য বিক্রি করতে আসেন এ হাটে। এছাড়া কয়েকশ শিক্ষার্থী পারাপার হয় এ সাঁকো দিয়ে।

বাজার কমিটির সাধারন সম্পাদক হারুন অর রশিদ বলেন সাপ্তাহিক হাট বাদেও প্রতিদিন বৈকালিন বাজার বসে। বাজার বাদেও দিনের বেলা সকাল থেকে রাত অবধি প্রায় সহস্রাধিক লোকের আনাগোনা চল এবাজারে। বাজারের দক্ষিনপার্শ্বে রয়েছে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-প্রাইমারী, হাইস্কুল ও দাখিল মাদ্রাসা। এসমস্যা সমাধানের জন্য আমরা নিজেদের অর্থায়নে সেতু নির্মাণ করে থাকি। এছাড়া প্রতি বৃহস্পতিবার এই শিব মন্দিরে পুজা দিতে নদীর উত্তর পাড়ের কয়েকটা গ্রাম থেকে ভক্তবৃন্দ সমবেত হয়ে থাকে।
এই শিববাড়িঘাটে খাপুর বাজার সংলগ্ন একটি ব্রিজ নির্মানের জন্য স্থানীয় এমপি রনজিৎ কুমার রায় আশ্বাস দিলেও তা অদৃশ্যই রয়ে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar