বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর ডাকা হরতালের দিন ভোরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে চলন্ত ট্রেনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সেখান থেকে মা ও ছেলেসহ চার জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছাই হয়ে যায় তিনটি কোচ। তারপরও আগুন নিয়েই বিমানবন্দর এলাকা থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত ছুটে চলে ট্রেনটি। কারণ, আতঙ্কিত যাত্রীদের চিৎকার-চেঁচামেচিতেও ট্রেনের চালক বুঝতেই পারেননি আগুন লেগেছে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
নিহতরা হচ্ছেন- নাদিরা আক্তার পপি (৩৫) ও তার ছেলে ইয়াসিন (৩) এবং ২ জন পুরুষ (নাম জানা যায়নি)।
মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) নেত্রনোণা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন ।
তিনি জানান, মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি নেত্রকোণা থেকে ছেড়ে আসে। এটি তেজগাঁও স্টেশন ছেড়ে চলা শুরু করতেই আগুন লাগে। ভোর ৫টা ৫ মিনিটে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট গিয়ে ৫টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
কমলাপুর রেলওয়ে থানার পরিদর্শক মো. ফেরদৌস বলেন, তেজগাঁও স্টেশনে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে ঘটনাস্থলেই চারজন মারা গেছেন। তাদের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ (এএসআই) মো. মাসুদ জানান, মরদেহ চারটি সকালে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এসেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
।