1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
২১ বছর ধরে কলাগাছই শহীদ মিনার, ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় স্কুল - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ নরসিংদীতে অনুমোদনহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষক সংকটে পহরচাঁদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যাহত পাঠদান যশোরের অভয়নগরে ভৈরব নদে গোসলে নেমে শিশু নিখোঁজ সুন্দরবনে সশস্ত্র হামলার পাঁচ দিন পরেও নিখোঁজ ২১ জেলে, চলছে ড্রোন তল্লাশি লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা

২১ বছর ধরে কলাগাছই শহীদ মিনার, ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় স্কুল

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৪৩ জন খবরটি পড়েছেন

নেত্রকোনা প্রতিনিধি। ভাষা আন্দোলনের চেতনা ছড়িয়ে দিতে হাওরাঞ্চলের একটি স্কুলে শিক্ষকরা প্রতি বছর কলাগাছ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এভাবেই উদযাপন করেন তারা।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাগজান কুঠুরিকোনা মডেল হাই স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের স্কুলে কোনো শহীদ মিনার নেই। তাই বাধ্য হয়েই তারা কলাগাছ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফুর রহমান বলেন, “২১ বছর ধরে আমরা কলা গাছ, বাঁশ দিয়েই শহীদ মিনার বানিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাই। কে শুনবে কার কথা?”

বিদ্যালয়টি ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০১৪ সালে এমপিওভুক্ত হয়। এখানে বর্তমানে ৩৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। শহীদ মিনার না থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, “টাকার অভাবে আমরা স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করতে পারিনি। বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার আবেদন করা হয়েছে, কিন্তু কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল বারী জানান, যেসব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই, তাদের প্রধান শিক্ষকদের ইউএনও বরাবর আবেদন করতে বলা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অহনা জিন্নাত বলেন, “আমরা বিদ্যালয়গুলোর তালিকা চেয়েছি। এ বছরই স্কুলগুলোতে শহীদ মিনার তৈরি করে দেওয়া হবে।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar