1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বৈরী আবহাওয়ায় পাকা ধানের ক্ষতির শঙ্কায় কৃষক - bdtelegraph24.com
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাটির ৪০০ ফুট গভীরে রোমানিয়ার প্রাচীন খনিতে গড়ে উঠেছে থিম পার্ক দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি শ্রমিকদের আপত্তির মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ চুরি যাওয়া ম্যাকবুক-ক্যামেরার খোঁজে রাজশাহীতে জার্মান পর্যটক বাঘারপাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অর্থ ছাড়া ফাইল নড়ে না! কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ: পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ৩ রাঙামাটিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শারদ উপহার ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ প্রিয় শিক্ষকের অশ্রুসজল ও বর্ণিল বিদায় শরণখোলায় নারিকেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

বৈরী আবহাওয়ায় পাকা ধানের ক্ষতির শঙ্কায় কৃষক

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫
  • ৯৪ জন খবরটি পড়েছেন

রাকিবুল হাসান, কুড়িগ্রাম।।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

টানা খরার পর শুরু হয়েছে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি। গত ১২ মে থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে নাগেশ্বরীতে শেষ মুহূর্তে ফসল ঘরে তোলা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন কৃষক। ক্ষেতেই ঝরে যাচ্ছে পাকা ধান। ঝড়বৃষ্টি শুরুর আগেই কিছু কৃষক ফসল কেটে বাড়ি আনলেও সেগুলো মাড়াই ও শুকানোর কাজ করতে পারছেন না। পানিতে ভেজা থাকছে মাটি।

কৃষক বলছেন, ভেজা ও নরম মাটিতে ধান শুকাতে দিলেই তা আরও ভিজে যাচ্ছে। বৃষ্টি হলে বারবার তুলে রাখতে হয়। ক্ষেতের অধিকাংশ ধান পুরোপুরি পেকে গেছে। কাটতে না পারায় ঝড়-বাতাসে শীষ থেকে ঝরে যাচ্ছে ফসল। আবার কেটে বাড়ি আনলেও মাড়াই, পরিষ্কার ও শুকাতে না পারায় ধান থেকে চারা গজিয়ে যাচ্ছে।

আব্দুর রাজ্জাক, রফিকুল ইসলাম, মোজাফ্‌ফর হোসেন, শমসের আলী, মাহবুবুর রহমান, সেকেন্দার আলী, আনিছুর রহমানসহ বিভিন্ন এলাকার অনেক কৃষক একই ধরনের কথা বলেছেন। তাদের ভাষ্য, এবার অন্যবারের তুলনায় ধানের ফলন ভালো হয়েছে। উৎপাদন খরচ বাদে লাভের আশা করছেন তারা। বাজারে আশানুরূপ দাম পেলে ঋণ পরিশোধ করে পরিবার নিয়ে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে এ আশা পূরণ নিয়ে সংশয়ে আছেন জানিয়ে কৃষক বলছেন, যে অবস্থা, তাতে নির্বিঘ্নে ফসল ঘরে তোলা নিয়ে উদ্বেগে আছেন। কমে গেছে দাম। প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে সাড়ে ৮৫০ টাকায়। এর চেয়ে খরচ বেশি হয়েছে। ফের ঋণে আটকে পড়তে হবে।

কৃষি বিভাগের তথ্যানুযায়ী, উপজেলায় এবারে ২৩ হাজার ৪২০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আবাদ হয়েছে ২৩ হাজার ৪৫৫ হেক্টরে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৫ হেক্টর বেশি। ফলন ভালো হয়েছে।

এলাকায় চলমান মৌসুমি বৃষ্টি আগামী ২০ মে পর্যন্ত চলবে জানিয়ে রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র নরকারের ভাষ্য, একটি ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে কয়েকদিন বৃষ্টি থাকবে।

জ্যেষ্ঠ কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন বলেন, সাধারণ বৃষ্টিতে তেমন ক্ষতির আশঙ্কা নেই। শিলাবৃষ্টি হলেই সমস্যা। ৮০ শতাংশ পেকে গেলেই ধান কাটার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষককে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar