1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
মাটির ৪০০ ফুট গভীরে রোমানিয়ার প্রাচীন খনিতে গড়ে উঠেছে থিম পার্ক - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাটির ৪০০ ফুট গভীরে রোমানিয়ার প্রাচীন খনিতে গড়ে উঠেছে থিম পার্ক দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি শ্রমিকদের আপত্তির মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ চুরি যাওয়া ম্যাকবুক-ক্যামেরার খোঁজে রাজশাহীতে জার্মান পর্যটক বাঘারপাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অর্থ ছাড়া ফাইল নড়ে না! কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ: পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ৩ রাঙামাটিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শারদ উপহার ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ প্রিয় শিক্ষকের অশ্রুসজল ও বর্ণিল বিদায় শরণখোলায় নারিকেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

মাটির ৪০০ ফুট গভীরে রোমানিয়ার প্রাচীন খনিতে গড়ে উঠেছে থিম পার্ক

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ জন খবরটি পড়েছেন

নিউজ ডেস্ক
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর), ২০২৬ | রাত ৯টা ১৫ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

রোমানিয়ার প্রাচীন লবণ খনি স্যালিনা তুরদার ৪০০ ফুট গভীরে গড়ে তোলা হয়েছে এক ব্যতিক্রমী ভূগর্ভস্থ থিম পার্ক। দুই হাজার বছরের বেশি পুরোনো এই খনিতে এখন দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে নাগরদোলা, মিনি-গলফ, বোলিং এবং ভূগর্ভস্থ হ্রদে নৌকাবিহারের সুযোগ।

দীর্ঘ সময় ধরে লবণ উত্তোলনের ফলে সৃষ্ট বিশাল গুহাটিকে আধুনিক বিনোদনকেন্দ্রে রূপান্তর করা হয়েছে। স্যালিনা তুরদায় প্রবেশের পর দর্শনার্থীরা লবণের তৈরি বিশাল দেয়াল এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠের নিচের এক ভিন্ন জগতের অভিজ্ঞতা পান।

এখানে রয়েছে পূর্ণাঙ্গ একটি ফেরিস হুইল বা নাগরদোলা। দর্শনার্থীরা চাইলে মিনি-গলফ ও বোলিং খেলার পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ হ্রদের পানিতে নৌকায় ঘুরে বেড়াতে পারেন। বিনোদনকেন্দ্রে পৌঁছানোর জন্য লিফট ব্যবহারের পাশাপাশি দীর্ঘ সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামার ব্যবস্থাও রয়েছে।

একসময় যেখানে শ্রমিকদের লবণ উত্তোলনের কর্মযজ্ঞ চলত, সেটি এখন পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। ইতিহাস, প্রকৃতি ও আধুনিক বিনোদনের এই সমন্বয় স্যালিনা তুরদাকে বিশ্বের অন্যতম ব্যতিক্রমী পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দিয়েছে।

মানুষের সৃজনশীলতার এই অনন্য উদাহরণ প্রমাণ করে যে, পরিত্যক্ত স্থানকেও কীভাবে নতুন রূপ দিয়ে আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত করা যায়।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar