1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
লক্ষ্মীপুরে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেল ২০ গ্রাম, আতঙ্কে উপকূলবাসী - bdtelegraph24.com
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাটির ৪০০ ফুট গভীরে রোমানিয়ার প্রাচীন খনিতে গড়ে উঠেছে থিম পার্ক দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি শ্রমিকদের আপত্তির মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ চুরি যাওয়া ম্যাকবুক-ক্যামেরার খোঁজে রাজশাহীতে জার্মান পর্যটক বাঘারপাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অর্থ ছাড়া ফাইল নড়ে না! কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ: পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ৩ রাঙামাটিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শারদ উপহার ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ প্রিয় শিক্ষকের অশ্রুসজল ও বর্ণিল বিদায় শরণখোলায় নারিকেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

লক্ষ্মীপুরে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেল ২০ গ্রাম, আতঙ্কে উপকূলবাসী

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫
  • ৭৯ জন খবরটি পড়েছেন
ছবি-সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলার অন্তত ২০টি উপকূলীয় গ্রাম টানা বৃষ্টিপাত ও মেঘনা নদীর অস্বাভাবিক জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে। প্লাবনের ফলে ব্যাপক দুর্ভোগে পড়েছে এলাকার হাজারো মানুষ।

জেলার কালকিনি, সাহেবেরহাট, পাটওয়ারীরহাট, চরফলকন, চরমার্টিন, চরলরেঞ্চ, আলেকজান্ডার, বড়খেরী, চরগাজী ও চরআবদুল্লাহ ইউনিয়নের নিচু এলাকাগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। জোয়ারের তোড়ে বসতঘর, রাস্তা, ফসলি জমি এবং নিচু ঘরের ভিটি পানির নিচে চলে যায়। বিশেষ করে চরমার্টিন এলাকায় রাস্তা ভেঙে গিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। ছোট ছোট নৌযানগুলোর চলাচলও স্থগিত রয়েছে।

জোয়ারে তলিয়ে গেছে স্থানীয়দের ব্যবহৃত শত শত পুকুর ও মাছের ঘের। দুই শতাধিক পুকুরের মাছ ভেসে গেছে বলে জানায় স্থানীয়রা। গৃহস্থালি কাজে সমস্যা, হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু রক্ষায় হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারগুলোকে।

এদিকে, ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ৩১ কিলোমিটার তীর রক্ষাবাঁধের কাজ চলছে ধীরগতিতে। তার মধ্যে মাতাব্বরহাট এলাকার প্রায় তিন কিলোমিটার বেড়িবাঁধ উত্তাল ঢেউয়ে হুমকির মুখে রয়েছে। যেকোনো সময় বাঁধটি ভেঙে ভয়াবহ ক্ষতির আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার বলেন, “রামগতি ও কমলনগরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও বন্যার সম্ভাবনা নেই। তবু ২৮৫টি আশ্রয়ণ কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং ৬৪টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। পর্যাপ্ত শুকনো খাবারও মজুত রয়েছে।”

স্থানীয়রা দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে প্রতি বর্ষায় একই দুর্ভোগ আর না পোহাতে হয়।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar