1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
মাদক, চুরি আর অব্যবস্থাপনার রাজত্ব -যশোরের সিঙ্গিয়া রেলস্টেশনের করুণ চিত্র - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাটির ৪০০ ফুট গভীরে রোমানিয়ার প্রাচীন খনিতে গড়ে উঠেছে থিম পার্ক দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি শ্রমিকদের আপত্তির মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ চুরি যাওয়া ম্যাকবুক-ক্যামেরার খোঁজে রাজশাহীতে জার্মান পর্যটক বাঘারপাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অর্থ ছাড়া ফাইল নড়ে না! কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ: পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ৩ রাঙামাটিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শারদ উপহার ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ প্রিয় শিক্ষকের অশ্রুসজল ও বর্ণিল বিদায় শরণখোলায় নারিকেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

মাদক, চুরি আর অব্যবস্থাপনার রাজত্ব -যশোরের সিঙ্গিয়া রেলস্টেশনের করুণ চিত্র

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫
  • ১০২ জন খবরটি পড়েছেন
ছবি-সংগৃহীত

যশোর প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

যশোরের গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা সিঙ্গিয়া রেলস্টেশন এখন নানা অব্যবস্থাপনার চিত্রে ভরে উঠেছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকাগামী যাত্রীদের সরব উপস্থিতি থাকলেও, স্টেশনের ভেতরে যাত্রীসেবার মান অত্যন্ত নাজুক। নেই পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা, নেই নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার, এমনকি নেই কোনো নিরাপত্তাকর্মী।

যাত্রীদের অভিযোগ, টিকিট সংগ্রহে বিঘ্ন ঘটছে, স্টেশনের শৌচাগার ব্যবহার করার মতো অবস্থায় নেই। সন্ধ্যার পর স্টেশন চত্বরে বসে মাদকের আড্ডা, আর বেড়ে যায় চোর-ছিনতাইকারীদের তৎপরতা। অনেকে এটিকে নিরাপত্তাহীন একটি ‘রেলজংশন’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন।

অথচ এই স্টেশনেই থামে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা জাহানাবাদ এক্সপ্রেস, বেতনা, মোংলা কমিউটার ও মহানন্দা ট্রেনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন। ফলে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী এ স্টেশন ব্যবহার করলেও, প্রয়োজনীয় সেবার ঘাটতি প্রতিনিয়ত ভোগান্তি বাড়াচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ওয়েটিং রুমে দরজা থাকলেও নেই তালা, নেই ফ্যানের রেগুলেটর বা সুইচ। টয়লেটে কমোড থাকলেও নেই কল বা পানির ব্যবস্থা। স্টেশনের সামনের রাস্তাও বেহাল, বৃষ্টিতে প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। ফুটওভার ব্রিজের অভাবে যাত্রীদের নিরাপত্তাহীনভাবেই ঘুরপথে যাতায়াত করতে হয়।

স্টেশনে কর্মীর অভাব প্রকট। ছয়জন পয়েন্টম্যানের জায়গায় মাত্র তিনজন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী রয়েছেন একজন—তিনিও সপ্তাহের তিনদিন অন্য স্টেশনে দায়িত্ব পালন করেন। নিরাপত্তাকর্মী নেই একজনও। স্টেশন মাস্টার রিয়াদ খান জানান, সমস্যার কথা উর্ধ্বতনদের জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তিনি নিজ খরচে টিউবওয়েল ও বদনা কিনে দিয়েছিলেন, সেগুলোও চুরি হয়ে গেছে।

স্থানীয় যাত্রী হোসেন আলী বলেন, ‘স্টেশনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, কিন্তু টয়লেট ব্যবহারেরও সুযোগ নেই। রাতে ট্রেন থেকে নামলেও নিরাপত্তা নেই বললেই চলে।’

আরেক যাত্রী সুদেব বলেন, ‘বিশ্রামাগার হয়ে উঠেছে আড্ডাখানা, টয়লেট ব্যবহার করেন আশপাশের বাসিন্দারাও। সন্ধ্যার পর পুরো স্টেশন চলে যায় অপরাধীদের দখলে।’

এ বিষয়ে রেলওয়ের সিনিয়র সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদ সুমন হোসেন বলেন, জনবল সংকট ও স্থানীয় চাপের কারণে সমস্যা বাড়ছে। বাইপাস রাস্তা নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি, ফুটওভার ব্রিজ তৈরির পরিকল্পনাও এখনো গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি।

স্টেশনটির সৌন্দর্যবর্ধনে ব্যয় হলেও এর রক্ষণাবেক্ষণে কোনো নজর নেই বলে দাবি যাত্রী ও স্থানীয়দের। সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও বাস্তবিক চিত্রে দেখা যায় চরম অবহেলা ও ব্যবস্থাপনাগত ব্যর্থতা।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar