1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
৩২ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান শেষে শিশু সাজিদকে উদ্ধার - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জকসুর উদ্যোগে চালু হলো রক্তদাতা খোঁজার অ্যাপ ‘JnURedDrop’ নতুন পে-স্কেলেই বেতন পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা: শিক্ষা সচিব ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেট থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি’ নাম অপসারণ উজ্জয়িনীর শাহী মসজিদ: ৬৩৬ বছরের পুরনো স্থাপনা ও রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে বিতর্ক শৈলকুপায় ভেজাল সয়াবিন তেল বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা রংপুরে বাড়িতে নকল সয়াবিন তেল তৈরির কারখানা, ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড শরীয়তপুরে ৩ আইনজীবীকে মারধর ও চেম্বার ভাঙচুর, অভিযুক্ত বিএনপি ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হলেও তেল আয়ের নিয়ন্ত্রণে ওয়াশিংটন ফেনী সফর: দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জের আয়োজনে জবি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ

৩২ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান শেষে শিশু সাজিদকে উদ্ধার

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৭ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক নিউজ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

রাজশাহীর তানোরে নলকূপের পরিত্যক্ত গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে অবশেষে ৩২ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে শিশুটিকে মাটির নিচ থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উদ্ধার হওয়া সাজিদের শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। শিশুটি জীবিত আছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে ফায়ার সার্ভিস আশাবাদী।

গত বুধবার দুপুরে উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট গ্রামে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে। সাজিদ তার মা ও ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি জমি পার হওয়ার সময় খড়ের নিচে থাকা অরক্ষিত একটি গভীর গর্তে পড়ে যায়।

মৃত্যুকূপে যেভাবে পড়ল সাজিদ: সাজিদের মা জানতেন না যে খড়ের নিচে নলকূপের একটি অরক্ষিত গর্ত রয়েছে। হাঁটার সময় হঠাৎ ‘মা মা’ চিৎকার শুনে তিনি পেছনে ফিরে দেখেন, সাজিদ নেই। খড় সরাতেই বেরিয়ে আসে সেই বিপজ্জনক গর্ত। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত বছর ১২০ ফুট নিচেও পানি না পাওয়ায় গর্তটি কোনো ঢাকনা বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ছাড়াই পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল।

দুর্ঘটনার পরপর শিশুটির সাড়াশব্দ পাওয়া গেলেও সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গর্তের ভেতর থেকে আওয়াজ আসা বন্ধ হয়ে যায়।

উদ্ধার অভিযান: সাজিদকে জীবিত রাখতে গর্তের মধ্যে পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি স্টেশন থেকে আসা আটটি ইউনিট তিনটি এক্সকেভেটর ব্যবহার করে গর্তের পাশে সমান্তরালভাবে মাটি খনন করে। দীর্ঘ খনন শেষে রাত ৯টার দিকে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গর্তের পাশেই নির্ঘুম রাত কাটানো সাজিদের মা সন্তানকে ফিরে পাওয়ার আশায় বিরামহীন কান্না ও দোয়া করে যাচ্ছিলেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar