টেলিগ্রাফ ডেস্ক | দক্ষিণাঞ্চলে নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে কুষ্টিয়ায় আয়োজিত জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আয়নাঘর থেকে মুক্ত হওয়া দাঁড়িপাল্লা এখন মানুষের বিশ্বাস ও আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে কুষ্টিয়া–ঝিনাইদহ মহাসড়ক সংলগ্ন শহিদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনি সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানুষ বলছে—সবকিছু তারা দেখেছে, এবার দাঁড়িপাল্লা দেখবে। তিনি দাবি করেন, দাঁড়িপাল্লার জনপ্রিয়তায় নব্য জালিমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।
আমিরে জামায়াত বলেন, জামায়াত রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে নারীদের সম্মান ও মর্যাদা সুরক্ষিত রাখা হবে। বেকার ভাতা দেওয়ার পরিবর্তে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্ব দূর করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
একই সঙ্গে নদী রক্ষা, শিল্পকারখানা সচল রাখা এবং ভিনদেশি প্রভাবমুক্ত একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন তিনি। ইনসাফের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান জামায়াত আমির।
সকাল ৯টায় সমাবেশ শুরু হলেও ডা. শফিকুর রহমান বেলা ১২টার দিকে মঞ্চে পৌঁছান এবং প্রায় আধা ঘণ্টা বক্তব্য দেন। এর আগে সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মীরা দলে দলে সমাবেশস্থলে জড়ো হন। নারী-পুরুষ নেতাকর্মী ছাড়াও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধিরা জনসভায় অংশ নেন। জনসমাগমে শহিদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
সমাবেশে কুষ্টিয়া জেলার ভারপ্রাপ্ত আমির ও কুষ্টিয়া-২ আসনের প্রার্থী আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া সদর আসনের প্রার্থী ইসলামী বক্তা আমির হামজাসহ চারটি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল এবং জোটের নেতারাও বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠান শেষে জামায়াত আমির চার প্রার্থীকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক উপহার দেন এবং পরে মেহেরপুর জেলার সমাবেশে যোগ দিতে রওনা হন।
#আরএ