ডেস্ক নিউজ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বাংলাদেশে পাইকারি দামের পর এবার গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি কোম্পানি (নেসকো) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) এ সংক্রান্ত প্রথম প্রস্তাব জমা দিয়েছে।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, নেসকোর আগে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবগুলো পাওয়ার পর কারিগরি কমিটি পর্যালোচনা করবে এবং পরে গণশুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
পিডিবির হিসাবে, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ হচ্ছে ১২ টাকা ৫০ পয়সা, কিন্তু বিক্রি করা হচ্ছে ৭ টাকায়। ফলে প্রতি ইউনিটে সরকারকে প্রায় সাড়ে পাঁচ টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। গত অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ৪০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে এবং চলতি বছরে তা বেড়ে ৬০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, এই বিপুল ভর্তুকির চাপ কমাতেই পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়ে দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যদিও এর আগে দুই বছর দাম না বাড়ানোর ঘোষণা ছিল।
এরই মধ্যে জ্বালানি তেল ও এলপিজির দাম বৃদ্ধির পর নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের ব্যয় আরও বাড়াবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।