ডেস্ক নিউজ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে স্কেল ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রথম ধাপে নিম্ন আয়ের কর্মচারী, স্বল্প পেনশনভোগী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের অভিভাবকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় বেতন কমিশনের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে অতিরিক্ত ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এই অর্থ দিয়ে প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোর মূল বেতনের একটি অংশ বাস্তবায়ন করা হতে পারে।
বিশেষ করে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দিতে প্রথম ধাপের বড় অংশ ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাবের একটি বড় অংশ শুরুতেই কার্যকর হতে পারে।
নতুন কাঠামোয় কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদেরও অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। যাদের মাসিক পেনশন ২০ হাজার টাকার কম, তাদের জন্য ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। তুলনামূলক বেশি পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ৫৫ থেকে ৭৫ শতাংশ রাখার প্রস্তাব রয়েছে।
এ ছাড়া ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা এবং বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
সামাজিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে সরকারি কর্মচারীদের প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে মাসিক ২ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার প্রস্তাবও করেছে কমিশন।
তবে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বড় অঙ্কের সুযোগ-সুবিধা পরবর্তী দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।