নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
আজ ২৫ বৈশাখ। বাঙালির আত্মপরিচয় ও সৃজনশীলতার বাতিঘর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী। ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে কুষ্টিয়ার শিলাইদহসহ কবির স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোতে জাতীয় পর্যায়ে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য উৎসব।
কুষ্টিয়ার শিলাইদহে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের মূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসবের সূচনা করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তবে অনিবার্য কারণবশত প্রধানমন্ত্রী এবারের অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেননি। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে কবির স্মৃতিধন্য সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নওগাঁর পতিসর এবং খুলনার দক্ষিণডিহি—সবখানেই যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
নওগাঁর পতিসরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে উপস্থিত হয়েছেন জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং খুলনায় রয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। দেশজুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে চলছে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা।
জাতীয় এই উৎসবের অংশ হিসেবে আগামী ১১ মে (২৮ বৈশাখ) বাংলা একাডেমি প্রদান করতে যাচ্ছে ‘রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৬’। এ বছর রবীন্দ্র গবেষণায় অধ্যাপক নৃপেন্দ্রলাল দাশ এবং রবীন্দ্রসংগীত চর্চায় শিল্পী বুলবুল ইসলামকে এই সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে।
১৮৬১ সালের এই দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে জন্মগ্রহণ করা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল বাংলা সাহিত্যকেই বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করেননি, বরং ১৯১৩ সালে নোবেল জয়ের মাধ্যমে উপনিবেশিত জাতির ভাষাকে এনে দিয়েছিলেন অনন্য মর্যাদা। তার কালজয়ী সৃষ্টি ‘আমার সোনার বাংলা’ আজ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে মিশে আছে।