1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
এক প্রান্তিকে ইসলামী ব্যাংকের ২৮৮ কোটি টাকা লোকসান - bdtelegraph24.com
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ায় চাচাতো ভাইকে কুপিয়ে হত্যা নাসিরনগরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি এম এ হান্নান, সম্প্রীতির আহ্বান সাতক্ষীরায় শামীম হত্যা: অনুতপ্ত নন প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনী নোয়াখালীতে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি: সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত হামলাকারী শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়: নীতিগত অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা শ্যালিকাকে ধর্ষণের মামলা: সাজানো নাটক প্রমাণিত হওয়ায় খালাস পেলেন ডা. রাফসান গাজীপুরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন এসটিএস উদ্বোধন নেত্রকোণায় যুবকের উপর মুখোশধারীদের গুলি, গুরুতর আহত মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান: পিস্তল, গুলি ও মাদক উদ্ধার যশোরে সিজারিয়ান অপারেশনের পর প্রসূতির মৃত্যু, অপচিকিৎসার অভিযোগ

এক প্রান্তিকে ইসলামী ব্যাংকের ২৮৮ কোটি টাকা লোকসান

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ৭৭ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক নিউজ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক পিএলসি চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছে। জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে ব্যাংকটির লোকসান হয়েছে ২৮৮ কোটি টাকা। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণ, প্রভিশন ঘাটতি ও মূলধন সংকট নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

ব্যাংকটির প্রকাশিত আর্থিক তথ্য অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি লোকসান দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৭৯ পয়সা। ব্যাংকটির ভাষ্য, বিনিয়োগ থেকে আয় কমে যাওয়া, আমানতের বিপরীতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং খেলাপি ঋণের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯৪ হাজার ৩২২ কোটি টাকা, যা এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৪৪ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে ব্যাংকটির মোট বিনিয়োগের ৫১ শতাংশই খেলাপি ঋণ।

অডিট প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মন্দ ঋণের বিপরীতে ব্যাংকটির ৯২ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা প্রভিশন রাখার প্রয়োজন হলেও বাস্তবে রাখা হয়েছে মাত্র ৭ হাজার ৯২২ কোটি টাকা। ফলে প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা।

নিরীক্ষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সহায়তা না থাকলে ব্যাংকটির আর্থিক পরিস্থিতি আরও গুরুতর আকার নিত। একই সঙ্গে ব্যাংকটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া নিয়েও সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাংকটির আর্থিক সংকটের বড় অংশজুড়ে রয়েছে এস আলম গ্রুপ সংশ্লিষ্ট বিপুল ঋণ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকটির হাজার হাজার কোটি টাকা আটকে রয়েছে।

এদিকে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় পুঁজিবাজারে ব্যাংকটিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামী ব্যাংকের এই সংকট দেশের ব্যাংকিং খাতে দুর্বল সুশাসন ও অনিয়ন্ত্রিত ঋণ বিতরণের বড় উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar