নজরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
যশোরে সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ২৮ জন সাংবাদিককে সদস্যপদ দিয়েছে প্রেসক্লাব যশোর। বুধবার দিনব্যাপী আবেদনকারী সাংবাদিকদের যাচাই-বাছাই শেষে রাত ১টার দিকে সংকটকালীন আহ্বায়ক কমিটি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রেসক্লাবের নোটিশ বোর্ডে আহ্বায়ক একরাম-উদ-দ্দৌলা ও সদস্য সচিব মবিনুল ইসলাম মবিনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন সদস্যদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
নতুন সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন একঝাঁক তরুণ সাংবাদিক ও দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সাংবাদিক। একই সঙ্গে সাবেক সদস্য সুলতান মাহমুদ রিপনের সদস্যপদ পুনর্বহাল করা হয়েছে। নতুন সদস্যদের তালিকায় রয়েছেন শান্তুনু ইসলাম সুমিত, এস এম ফরহাদ আলী, কবিরুল আলম দীপু, মাসুদ রানা বাবু, আবুল কালাম আজাদ, সৈয়দ শাহ মুস্তফা হাশমি সাজু, রাব্বি আল আমিন, তহমিদা বিশ্বাস, রিপন হোসেন চঞ্চল, রতন সরকার, ইজাজ উদ্দিন টিপু, স্বপ্না দেবনাথ, প্রণব কুমার দাস, এমআর মশিউর রহমান, জিয়াউল হক, আল মামুন শাওন, সালমান হাসান, তামান্না ফারজানা খান চৌধুরী, রেজোয়ান হক বাপ্পি, সুন্দর সাহা, আসিকুল হাসান, নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া শিমুল, সাহারুল ইসলাম ফারদিন, মোহাম্মদ এম এ রাজা, তরিকুল ইসলাম তারেক, ইমরান হোসেন রাজ, এস এম আরিফ এবং রায়হান সিদ্দিকি।
সদস্যপদ ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন সদস্যদের আবেদনের সঙ্গে জমা দেওয়া কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় কোনো ধরনের ত্রুটি, অসত্য তথ্য বা অনৈতিকতার প্রমাণ পাওয়া গেলে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই সদস্যপদ বাতিল করা হবে। এছাড়া যারা আবেদন করেও এবার সদস্যপদ পাননি, তাদের আবেদনপত্র প্রেসক্লাব যশোরে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে এবং পরবর্তীতে তাদের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
প্রেসক্লাব যশোরের সংকটকালীন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মবিনুল ইসলাম মবিন বলেন, “আবেদনকারীদের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২৮ জনকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া যারা এবার সদস্যপদ পাননি, তাদের আবেদনগুলো সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।”
উল্লেখ্য, প্রেসক্লাব যশোরের সদস্যপদ প্রদানসহ বিভিন্ন দাবিতে সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলেন। কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সংকটকালীন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয় এবং আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। সদস্যপদ পেতে মোট ১০১ জন ফরম সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে ৯৫ জন আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন।