1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
যশোরের প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ মাস্টার মসিহ-উল আযমের বর্ণাঢ্য জীবন - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

যশোরের প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ মাস্টার মসিহ-উল আযমের বর্ণাঢ্য জীবন

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯৮ জন খবরটি পড়েছেন

বাঘারপাড়া প্রতিনিধি
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬), দুপুর ১২টা ০৭ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিক মাস্টার মো. মসিহ-উল আযম ৯৪ বছর বয়সে নিজ গ্রামের বাড়িতে অবসর জীবন কাটাচ্ছেন। ১৯৩২ সালের ১৭ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করা এই গুণী ব্যক্তি শিক্ষকতার পাশাপাশি দীর্ঘ সময় জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি রায়পুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনসহ স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

মসিহ-উল আযম ১৯৫৪ সালে বাঘারপাড়া মাদরাসায় শিক্ষকতা শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৫৫ সালে হাশিমপুর হাই স্কুলে যোগ দেন। তিনি রায়পুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক ছিলেন, যা পরবর্তীতে স্কুল অ্যান্ড কলেজে রূপান্তরিত হয়। ১৯৫৯ সালের ১৬ আগস্ট প্রথমবার এবং পরবর্তীতে আরও দুই দফায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ২০০০ সালের ২ এপ্রিল তিনি অবসরে যান।

১৯৬৯ সালে তিনি যশোর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকাকালীন ১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সে সময়ের রাজনৈতিক পরিবেশ ও যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, “তখন পায়ে হেঁটেই বেশি যাতায়াত করতাম। বাইসাইকেল ছিল উন্নত বাহন। এছাড়া বাসযোগে দূরের পথে সফর করতাম। চিঠিপত্রই ছিল তথ্য আদান-প্রদানের একমাত্র উপায়।”

যশোর জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমির আনোয়ার হোসেন বলেন, “মাস্টার মসিহ-উল আযম যখন জেলা আমির ছিলেন, তখন যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক ছিল। কাঁচা রাস্তায় বৃষ্টির সময় কাদাপানি ও শুকনো মৌসুমে ধুলার পথ পায়ে হেঁটেই সফর করতে হতো। ১৯৮৬ সালে যশোর জেলা জামায়াতের উদ্যোগে প্রথম একটি মোটরসাইকেল কেনা হয়।”

বর্তমানে বার্ধক্যজনিত কারণে বাড়িতে অবসর কাটালেও তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবার সঙ্গে যুক্ত আছেন। রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের রাজনীতিতে জামায়াতের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দলের উন্নতি হয়েছে। আমি দলের অগ্রগতির খবরে খুশি এবং মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি।”

রায়পুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ মো. কামরুজ্জামান বলেন, “মাস্টার মসিহ-উল আযম আমার শিক্ষক। তিনি তার কর্মদক্ষতা ও সততার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। তার হাত ধরেই বিদ্যালয়টি স্কুল অ্যান্ড কলেজে উন্নীত হয়।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar