নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলায় এসএসসি পরিক্ষার্থী মুক্তি রানী কে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে আটক করেছে, তবে অভিযুক্ত কাউসার এখনো পালাতক রয়েছে। জেলা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে। এখন পর্যন্ত থানায় মামলা দায়ের হয়নি তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে। ছাত্রীর মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে নিজ গ্রামের বাড়িতেই দাহ করা হবে।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মুক্তি রানী ২ মে মঙ্গলবার দুপুর ১ ঘটিকায় প্রেমনগর ছালিপুরা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরিক্ষা শেষ করে বাড়িতে যাওয়ার সময় একই গ্রামের শামছু মিয়ার ছোট ছেলে মো. কাউচার মিয়া (১৮) রাস্তায় দা দিয়ে মাথায় কুপিয়ে মুক্তি রানী কে গুরুতর আহত করে।
আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত মেয়েটিকে উদ্ধার করে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। মরদেহ নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে গ্রামের বাড়িতেই দাহ করা হবে।
এদিকে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, হারুনঅর রশিদ জানান, অভিযুক্ত কাউছারের ভগ্নিপতি মাসুদ মিয়াকে আটপাড়া উপজেলার দরবেশপুর গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে। হত্যায় অভিযুক্ত কাউসারকে ডিবি পুলিশ বারহাট্রা এলাকা থেকে আটক করেছে ।