শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি। ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সারাদিন গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বইছে। সুন্দরবন উপকূলীয় খোলপেটুয়া নদীতে পানির উচ্চতা সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় বেড়িবাঁধ এখন পর্যন্ত ভেঙে না গেলেও জলোচ্ছ্বাস ও বেড়িবাঁধ ভাঙনের আতঙ্কে রয়েছেন উপকূলবাসি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ঘুর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রস্তুতি নিয়েছে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আক্তার হোসেন জানান, সরকারি ভাবে ১০৩টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। বেসরকারি ভাবে আরও ৬৬ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রস্তুত রয়েছেন ৩ হাজার সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক সহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছে ও প্রস্তুত রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার। শ্যামনগরে প্রায় ১২৭ কি:মি: বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর অধিকাংশ ষাটের দশকে নির্মিত। জলোচ্ছ্বাস ও বেড়িবাঁধ ভাঙনের আতঙ্কে রয়েছেন উপকূলবাসি।