1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
হাসপাতালে ডাণ্ডাবেড়ি নিয়েই মারা যান কাজল - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: হুমকির মুখে ফসলি জমি ও জীববৈচিত্র্য শিক্ষকরা আলোকিত জাতি গঠনের কারিগর, দুর্গাপুরে আলোচনা সভায় বক্তারা ‘পোশাক লাগিয়েছি ঘুষ খাওয়ার জন্যই’: হবিগঞ্জে এএসআইয়ের ভিডিও ভাইরাল পার্বত্য সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ৩৭ বিজিবির নিয়মিত অভিযান কালিয়াকৈরে তীব্র এলপিজি সংকট: বাড়তি দামেও মিলছে না সিলিন্ডার বনদস্যুদের সহযোগিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মেহেদী, বিল্লাল ও ইয়াসিনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে কারমাইকেল কলেজে যুব রেড ক্রিসেন্টের সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৪

হাসপাতালে ডাণ্ডাবেড়ি নিয়েই মারা যান কাজল

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৯৭ জন খবরটি পড়েছেন
ছবি-সংগৃহীত

গত ২৬শে ডিসেম্বর গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে মুগদা থানা শ্রমিক দল নেতা মো. ফজলুর রহমান কাজলকে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়েই রাজধানীর হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৮শে ডিসেম্বর হাসপাতালে ডাণ্ডাবেড়ি নিয়েই মারা যান তিনি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

কাজলের ছেলে সজল হোসেন মানবজমিনকে জানান, ২৮শে অক্টোবর মহাসমাবেশের দু’দিন আগে আমার বাবাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল না। শুধু বিএনপি’র রাজনীতি করার কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আমার বাবা দাগি কোনো অপরাধী ছিল না। তারপরও কাশিমপুর কারাগারে তাকে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখা হতো। আগে তার শারীরিক কোনো অসুস্থতা ছিল না। শুধু একটা হাতে একটু ব্যথা ছিল। কিন্তু সারাক্ষণ ডাণ্ডাবেড়ি পরানোর কারণে ২৫শে ডিসেম্বর কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। ২৬শে ডিসেম্বর কারা কর্তৃপক্ষ তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করেন। স্ট্রোক করায় ঢাকা মেডিকেলের ডাক্তাররা হৃদরোগ হাসপাতালে পাঠান। তিনি বলেন, সেখান থেকে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়েই হৃদরোগ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কিন্তু আমাদের জানানো হয় ২৮শে ডিসেম্বর। খবর পেয়ে প্রথমে আমার মা হাসপাতালে যান। কিন্তু দায়িত্বরত কারারক্ষীরা বাবাকে দেখার জন্য ৫০০ টাকা দাবি করে মায়ের কাছে। পরে মা বাধ্য হয়ে ৪০০ টাকা দিলে দেখার অনুমতি দেয়। তিনি বলেন, হাসপাতালে আমার বাবাকে কোনো চিকিৎসাই দেয়া হয়নি। শুধু স্যালাইন দিয়েছে নার্সরা। আমি হাসপাতালে গিয়ে দেখি- বাবা যখন শ্বাসকষ্টে কাতরাচ্ছে তখন নার্সরা স্যালাইন দেন। কিন্তু হাতে-পায়ে ডাণ্ডাবেড়ি লাগানোর কারণে ক্যানোলা লাগাতে পারছিল না নার্স। তারা হাসপাতালের কারাসেলে দায়িত্বরতদের অনুরোধ করে বলেন, ডাণ্ডাবেড়ির কারণে হাতের রগ খুঁজে পাচ্ছি না। হাতের ডাণ্ডাবেড়িটা অন্তত খুলে দেন। ক্যানোলাটা লাগাই। কারারক্ষীরা তখন মোবাইলে ব্যস্ত ছিলেন। পরে কোনোরকম ক্যানোলা লাগান নার্সরা। রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

সজল বলেন, বাবা মারা যাওয়ার পর ডাণ্ডাবেড়ি খুলে দেয়া হয়নি। ডাণ্ডাবেড়ির কারণে হাতে পায়ে দাগ পড়ে গিয়েছিল। লাশ হিমঘরে নেয়ার পর হ্যামার দিয়ে ডাণ্ডাবেড়ি ভাঙা হয়। হাসপাতালে বাবার ওপর এমন অমানবিকতা সহ্য করতে না পেরে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করি। ম্যাজিস্ট্রেট এসে কারারক্ষীদের কাছে জানতে চান- আপনারা দু’দিন আগে কেন স্বজনদের খবর দেননি। তখন তারা জবাবে বলেন, আমাদের মোবাইল নম্বর নাকি খুঁজে পায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে- চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিনি। অথচ বিনা চিকিৎসায় বাবাকে হত্যা করেছে তারা।

ডাণ্ডাবেড়ি নিয়ে কাজলের মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে কাশিমপুর কারাগারের জেল সুপার মো. শাহজাহান মানবজমিনকে বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমার জানা নেই।মানবজমিন

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar