1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দেহাবসান - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাঙামাটিতে সড়ক ও নৌপথ দুর্ঘটনা রোধে নিরাপদ যাত্রা ফাউন্ডেশনের সচেতনতামূলক প্রচারণা নাসিরনগরে পুকুর থেকে গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার, স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার বড়াল নদীতে আনন্দ ও উৎসবে প্রতিমা বিসর্জন পানির তীব্র সংকট: কিউবায় কূপ খনন ও নিত্যদিনের সংগ্রাম চট্টগ্রামে নেতাকর্মীদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার নির্দেশনা তারেক রহমানের সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যা মামলায় আরো একজন গ্রেপ্তার বাগেরহাটের মোল্লাহাটে পুকুরে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু মাগুরার শালিখায় চণ্ডীদাস-রজকিনীর প্রেমগাথা, লোককথায় আজও অমর বেনাপোলে বাড়ি নির্মাণে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, নিরাপত্তাহীনতায় প্রবাসফেরত ব্যবসায়ী প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগে ওএসডি রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে রেজাউল আলম সরকার

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দেহাবসান

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৩৩ জন খবরটি পড়েছেন

প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ৮০ বছর বয়সে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে পাম অ্যাভিনিউয়ের নিজের ফ্ল্যাটেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত কয়েকদিন ধরেই শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। এদিন সকাল থেকে শ্বাসকষ্ট বেড়েছিল। অক্সিজেন দেওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি।
শারীরিক সমস্যার জন্য ১১ বছর ধরে ঘরবন্দি ছিলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সিওপিডি-তে ভুগছিলেন। একাধিকবার হাসপাতালেও ভর্তি হয়েছেন। মরশুম বদলের সময়ই বুদ্ধবাবুর শ্বাসকষ্ট বাড়ত। এবার তার অন্যথা হয়নি। কিন্তু এবার কেন তাঁকে হাসপাতাসে ভর্তি করা হল না, তা নিয়ে দল বা পরিবারের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পরিবারে ১৯৪৪-এ উত্তর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ১৯৬১-তে কলকাতার শৈলেন্দ্র সরকার বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন তিনি। ১৯৬৪-তে কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে বাংলা ভাষায় স্নাতক হন। স্কুলজীবনেই এনসিসি-তে যোগদান করেন। কলেজ জীবনেও এনসিসি-র ক্যাডেট (নৌ শাখা) ছিলেন। কলেজ জীবনে সিপিআই(এম) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য হন। এরপর সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটি ও সিপিআই(এম)-এর পলিট ব্যুরোর সদস্য হন। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত প্রথম বাম সরকারের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৯৯-তে উপমুখ্যমন্ত্রীর হন। ২০০০-তে শারীরিক অসুস্থতার কারণে জ্যোতি বসু সরে দাঁড়ালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ২০০১ থেকে ২০০৬ এবং ২০০৬ থেকে ২০১১, পর পর দুবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হন। তবে ২০১১-তে প্রবল তৃণমূল হাওয়ায় নিজের দীর্ঘদিনের গড় যাদবপুরেই পরাজিত হন তিনি।
তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার চড়াই উৎরাই এসেছে। ছয়ের দশকে প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াকালীন বামফ্রন্টের তৎকালীন রাজ্য সম্পাদক প্রমোদ দাশগুপ্তের চোখে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় ছাত্র রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় তাঁর। ছয়ের দশকে পার্টির সদস্যপদ পান। পরে রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলী, কেন্দ্রীয় কমিটি ক্রমে পলিটব্যুরোর সদস্য হন। সাতের দশকে সংসদীয় রাজনীতিতে প্রবেশ।

১৯৭৭ সালে কাশীপুর বিধানসভা থেকে নির্বাচনে লড়াই করেন। জিতে বিধায়ক হন। ১৯৮৭ সালে প্রথমবার যাদবপুর বিধানসভার প্রার্থী হন তিনি। টানা ২৪ বছর ওই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadeb Bhattacharjee)। পরিবর্তনের হাওয়ায় ২০১১ সালে তাঁর মন্ত্রিসভার আমলা-রাজনীতিবিদ মণীশ গুপ্তর কাছে পরাজিত হতে হয় বর্ষীয়ান রাজনীতিককে। এর আগে বাংলার রাজনীতিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিজের কেন্দ্রে ভোটে লড়ে হেরে যাওয়ার রেকর্ড ছিল একমাত্র প্রফুল্লচন্দ্র সেনের। ২০১১ সালে সেই তালিকায় চলে আসেন বুদ্ধবাবুও।
২০১২ সাল থেকে রাজনীতির সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে থাকেন বুদ্ধবাবু। ওই বছরই শারীরিক অসুস্থতার দরুন পার্টি কংগ্রেসে যেতে পারেননি তিনি। এরপর একে একে পলিটব্যুরো, কেন্দ্রীয় কমিটি ও রাজ্য কমিটির সদস্যপদ ছেড়ে দেন। নিজেকে কার্যত ঘরবন্দি করে ফেলেছিলেন। তবে ২০১৬ সালে তাঁকে ফের সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা গিয়েছিল। কংগ্রেসের সঙ্গে বামেদের জোট তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। সেইসময় দলের অনুমতি ছাড়াই রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একই মঞ্চে হাজির হন তিনি। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, “বাম-কংগ্রেসের জোটের বিষয় বাংলার মানুষকে প্রত্যয়ী করে তোলা দরকার ছিল।”

তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিতর্কও কম ছিল না। নন্দীগ্রামে আন্দোলনকারী কৃষকদের উপর গুলি চালানোর ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। কিন্তু ক্লিনচিট দেয় সিবিআই। বুদ্ধদেবের প্রয়াণে কার্যতই বাংলার রাজনীতির এক যুগাবসান হল। সংবাদ প্রতিদিন

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar