1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
চরবাসীর প্রতিদিন কাটে টিকে থাকার লড়াইয়ে - bdtelegraph24.com
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাটির ৪০০ ফুট গভীরে রোমানিয়ার প্রাচীন খনিতে গড়ে উঠেছে থিম পার্ক দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি শ্রমিকদের আপত্তির মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ চুরি যাওয়া ম্যাকবুক-ক্যামেরার খোঁজে রাজশাহীতে জার্মান পর্যটক বাঘারপাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অর্থ ছাড়া ফাইল নড়ে না! কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ: পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ৩ রাঙামাটিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শারদ উপহার ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ প্রিয় শিক্ষকের অশ্রুসজল ও বর্ণিল বিদায় শরণখোলায় নারিকেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

চরবাসীর প্রতিদিন কাটে টিকে থাকার লড়াইয়ে

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫
  • ১০২ জন খবরটি পড়েছেন

রাকিবুল হাসান,, কুড়িগ্রাম।।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

কুড়িগ্রাম জেলার বিস্তৃত চরাঞ্চলে এবারও কিছু অঞ্চলে বন্যা শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু রয়ে গেছে তার তীব্র ছাপ। জেলার ১৬টি নদ-নদী আর সাড়ে চার শতাধিক চর জুড়ে বসবাসকারী প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ এখন নতুন করে জীবন গুছিয়ে নেওয়ার সংগ্রামে ব্যস্ত।

প্রতিবছরের মতো এবারও চরাঞ্চলগুলোতে নদীর পানি হু হু করে ঢুকে পড়েছিল। ডুবে গিয়েছিল ফসলি জমি। অনেকের ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এখন সেই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নতুন করে ঘর তুলছে তারা, বানিয়ে নিচ্ছে ভাঙা নৌকা, আবার বীজ রোপণের প্রস্তুতিও নিচ্ছে কেউ কেউ।

চরাঞ্চলের জীবন সবসময়ই বিচ্ছিন্ন আর কষ্টসাধ্য। মেইনল্যান্ড থেকে দূরে থাকায় অনেক চরেই নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা, শিক্ষা কিংবা যোগাযোগ ব্যবস্থা। বন্যার সময় পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এসব গ্রাম। খাবার, পানীয় জল, ওষুধসহ ন্যূনতম প্রয়োজন মেটাতেই তখন হিমশিম খেতে হয় বাসিন্দাদের।

তবুও হাল ছাড়েন না তারা। সকালে নদীতে মাছ ধরা, বিকেলে ক্ষেতে কাজ, আর সন্ধ্যায় পরিবারের সঙ্গে কুয়াশাঘেরা আকাশের নিচে সময় কাটানো—এই নিয়েই চলে তাদের দিনযাপন। বিনোদনের তেমন কিছু নেই, কিন্তু প্রকৃতি যেন এদের পুরস্কার দেয় দুই হাতে। নদীর কুলকুল ধ্বনি, চরজুড়ে ছুটে চলা হাওয়া আর শিশুদের নির্ভেজাল হাসি যেন নতুন আশার সুর বয়ে আনে।

চরের এক বাসিন্দা বলেন, “প্রতি বছরই এই কষ্ট আসে। তবুও আমরা থাকি। নদী আমাদের নেয়, আবার কিছু না কিছু দেয়ও। এখানেই তো আমাদের জন্ম, এখানেই মাটি।”

স্থানীয়রা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছেন, চরাঞ্চলের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বাঁধ নির্মাণ, চিকিৎসা সুবিধা, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দরকার। নয়তো প্রতিবছরই এইসব মানুষদের বাঁচা মানে কেবল বন্যার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে মাথা তুলে দাঁড়ানো।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar