1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
অবশেষে একনেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেল পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প - bdtelegraph24.com
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ভারতীয় কয়েদির মৃত্যু লোহাগাড়ায় শারদীয় দুর্গোৎসবের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ইউএনও ও ওসি বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ায় চাচাতো ভাইকে কুপিয়ে হত্যা নাসিরনগরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি এম এ হান্নান, সম্প্রীতির আহ্বান সাতক্ষীরায় শামীম হত্যা: অনুতপ্ত নন প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনী নোয়াখালীতে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি: সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত হামলাকারী শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়: নীতিগত অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা শ্যালিকাকে ধর্ষণের মামলা: সাজানো নাটক প্রমাণিত হওয়ায় খালাস পেলেন ডা. রাফসান গাজীপুরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন এসটিএস উদ্বোধন নেত্রকোণায় যুবকের উপর মুখোশধারীদের গুলি, গুরুতর আহত

অবশেষে একনেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেল পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ৬৮ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক নিউজ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে কয়েক দফা প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপন করা হলেও অনুমোদন পায়নি।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে স্বাদু পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। একই সঙ্গে কমবে লবণাক্ততা, পুনরুজ্জীবিত হবে মৃতপ্রায় নদী এবং কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণের পর শুষ্ক মৌসুমে পদ্মার পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী ও খালে লবণাক্ততা বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে কৃষি, নৌ-চলাচল, সুপেয় পানি ও সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের ওপর।

তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে ১৯৯৬ সালের গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar