1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
নতুন ডিভাইসে কেন পূর্ণ স্টোরেজ পাওয়া যায় না? নেপথ্যে দুই কারণ - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার যশোরে নছিমনের ধাক্কায় ভাই-বোনের মৃত্যু জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়ায় রোনালদোকে ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা শারদীয় দুর্গোৎসবে সামাজিক সম্প্রীতি দৃঢ় করার আহ্বান জানালেন সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান নতুন ডিভাইসে কেন পূর্ণ স্টোরেজ পাওয়া যায় না? নেপথ্যে দুই কারণ নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত ৩০ কালিয়াকৈরে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবর রহমান ৫ লাখ টাকা যৌতুক দিয়েও মেলেনি সুখ, গলায় ওড়না পেঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে ১৭ বিজিবি অধিনায়ক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী

নতুন ডিভাইসে কেন পূর্ণ স্টোরেজ পাওয়া যায় না? নেপথ্যে দুই কারণ

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৩ জন খবরটি পড়েছেন

নিউজ ডেস্ক
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ২০২৬), সকাল ১০টা ২০ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

নতুন স্মার্টফোন, হার্ডড্রাইভ বা এসএসডি কেনার পর বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা স্টোরেজের পুরোটা ব্যবহার করা যায় না। মূলত স্টোরেজ নির্মাতাদের হিসাব পদ্ধতি এবং ডিভাইসে আগে থেকে ইনস্টল করা অপারেটিং সিস্টেমের কারণেই এই পার্থক্য তৈরি হয়। এটি কোনো প্রতারণা নয়, বরং গাণিতিক হিসাব ও সিস্টেম ফাইলের প্রয়োজনীয়তার ফল।

স্টোরেজ নির্মাতারা সাধারণত দশমিক বা ডেসিমেল পদ্ধতিতে ধারণক্ষমতা হিসাব করেন। এই পদ্ধতিতে এক গিগাবাইট সমান ১০০ কোটি বাইট ধরা হয়। ফলে নির্মাতাদের হিসেবে ১ টেরাবাইটের ড্রাইভ ১ লাখ কোটি বাইটের হয়। অন্যদিকে, উইন্ডোজের মতো অপারেটিং সিস্টেম বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহার করে, যেখানে ১ গিগাবাইট সমান ১ হাজার ৭৩ কোটি ৭৪ লাখ ১৮ হাজার ২৪০ বাইট। হিসাবের এই পার্থক্যের কারণেই উইন্ডোজে স্টোরেজ কম দেখায়।

তবে ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম দশমিক পদ্ধতি ব্যবহার করায় সেখানে একই ড্রাইভের ধারণক্ষমতা প্রায় পূর্ণ ১ টেরাবাইট হিসেবেই প্রদর্শিত হয়। অর্থাৎ, ডিভাইসের প্রকৃত ধারণক্ষমতা কমেনি, কেবল হিসাবের এককের ভিন্নতায় সংখ্যাটি ছোট দেখাচ্ছে।

স্টোরেজ কম দেখানোর আরেকটি বড় কারণ হলো অপারেটিং সিস্টেম ও প্রয়োজনীয় সিস্টেম ফাইল। নতুন ফোন বা কম্পিউটারে এসব সফটওয়্যার আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে, যা মোট স্টোরেজের একটি বড় অংশ দখল করে রাখে। উদাহরণস্বরূপ, ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজের আইফোন ১৬ প্রোতে আইওএস ২৭ অপারেটিং সিস্টেমই ২২ গিগাবাইটের বেশি জায়গা নেয়।

অপারেটিং সিস্টেমের অস্থায়ী ফাইল, ক্যাশ মেমোরি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজের জন্যও অতিরিক্ত জায়গার প্রয়োজন হয়। স্টোরেজ প্রায় পূর্ণ হয়ে গেলে ডিভাইসের গতি কমে যাওয়া বা অ্যাপ বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই নতুন ডিভাইস কেনার সময় বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা ধারণক্ষমতার পাশাপাশি অপারেটিং সিস্টেম ও সিস্টেম ফাইল বাদ দেওয়ার পর প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য জায়গা বিবেচনায় রাখা জরুরি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar