নিউজ ডেস্ক
সোমবার (২৬ অক্টোবর), সকাল ১০টা
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন সেন্টমার্টিন দ্বীপে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছে সরকার। আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা দ্বীপটিতে ভ্রমণ করতে পারবেন। তবে পরিবেশ রক্ষায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটকের সীমা নির্ধারণ এবং প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক চিঠিতে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ১২ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় দ্বীপটির পরিবেশ সংরক্ষণ ও পর্যটক চলাচল ব্যবস্থাপনার বিষয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পর্যটকবাহী অনুমোদিত জাহাজগুলো কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া ঘাট থেকে চলাচল করবে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া সেন্টমার্টিন দ্বীপে কোনো নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও তদারকি
পরিবেশ অধিদপ্তর পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০১৬-এর বিধি ২৬ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা আগের প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনাগুলোও বহাল থাকবে। ফলে নতুন সময়সীমার পাশাপাশি আগের পরিবেশ সংরক্ষণসংক্রান্ত বিধিনিষেধগুলোও কার্যকর থাকবে।
এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবং ট্যুরিস্ট পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে এসব নিয়ম কঠোরভাবে পালন করা হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।