1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
কুমিল্লার বন্দিশাহী মসজিদ ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ - bdtelegraph24.com
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পশ্চিম তীর পূর্ণাঙ্গ অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিলেন নেতানিয়াহু সৌদি আরবের কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কুড়িগ্রামে শাবলের আঘাতে চাচিকে হত্যা, আহত ৩ ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৩৫ টন চালে বিষাক্ত আফলাটক্সিনের অস্তিত্ব টঙ্গীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ বাবা-মায়ের পর কন্যার মৃ/ত্যু সাজেকে পর্যটক ও নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর হামলার নিন্দা পিসিসিপির বাঘারপাড়ায় ৩ খাতে সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ পেল খানপুর গ্রাম চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ৫ স্থানে বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা রাঙামাটিতে বাস থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২ জুমার দিন দোয়া কবুলের মুহুর্তে যে দোয়া বেশি বেশি পড়তে হবে

কুমিল্লার বন্দিশাহী মসজিদ ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৫৮১ জন খবরটি পড়েছেন

কুমিল্লায় পরিত্যক্ত অবস্থার অযুহাতে একটি মসজিদ ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে বুধবার মসজিদ ভাঙার কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিয়া আফরিন।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

স্থানীয়রা জানান, কুমিল্লা সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের চাঁনপুর মধ্যপাড়া এলাকায় প্রায় ৩০ বছর আগে বন্দিশাহী জামে মসজিদ নির্মাণ করা হয় এলাকাবাসীর অর্থায়নে। গত প্রায় ৫ বছর আগে ওই মসজিদের পাশে নতুন আরেকটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। এরপর থেকে বন্দিশাহী জামে মসজিদটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয়রা আরোও জানান,গত তিনদিন আগে চাঁনপুর এলাকার মৃত কালা মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন মসজিদটি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করেন । তিনি মসজিদের স্থানে মার্কেট নির্মাণ করবেন বিল্লাল হোসেন নামের একজন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে বিল্লাল হোসেন বলেন, বাবা-চাচারা প্রায় ৩০ বছর আগে মসজিদটি নির্মাণ করেছেন। মসজিদটির জায়গাও আমাদের দেওয়া, এটা খাস জায়গা নয়। আমার বাবা-চাচারা জায়গাটি মসজিদের নামে ওয়াকফ্ করে দিয়েছেন। মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত। এজন্য এটি ভেঙে সেখানে একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা করার উদ্যোগ নিয়েছি। মসজিদের স্থানে মার্কেট নির্মাণ করার কথা মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি কাজগপত্র নিয়ে ইউএনও’র কাছে যাবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকিয়া আফরিন বলেন, ওই মসজিদটি সরকারের এক নম্বর খাস খতিয়ানে থাকা সম্পত্তিতে নির্মিত হয়েছে। তবে আমরা এটির অনুমোদন দেইনি। এরপরও সরকারি সম্পত্তিতে থাকা মসজিদ তিনি (বিল্লাল) এভাবে ভাঙতে পারেন না। খবর পেয়ে ভাঙার কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। তাকে বলেছি, কীভাবে তিনি এটি ভাঙতে পারেন, তা কাগজপত্রসহ আমাদেরকে জানাতে। সুত্র-আমাদের সময় ডটকম

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar