স্টাফ রিপোর্টার ।।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
জন্মের দেড় বছর বয়স থেকে আজ পর্যন্ত থ্যালাসেমিয়ায় (লিবারের সমস্য) ভুগছে শিশু নয়ন হোসেন (১০)।
নয়ন হোসেন বাঘারপাড়া উপজেলার বল্লামুখ গ্রামের মোহাম্মদ আনিসুর রহমানের একমাত্র ছেলে।
থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত নয়নের শরীরে প্রতি মাসে ৪ ব্যাগ রক্ত দিতে হয় । বাংলাদেশের ডাক্তারেরা বলছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য নয়ন কে দেশের বাইরে নিতে হবে। ইতোমধ্যে ছেলেটির পেট ও মুখ ফুলে গেছে এটা দেখলে ভয় পেতে হয়। বাবা মোহাম্মদ আনিসুর রহমান প্যারালাইজড হয়ে প্রায় বিকলঙ্গ হয়ে গেছেন, তার মা লাভলী খাতুন ও দীর্ঘদিন পেটে পাথর নিয়ে কোনমতে বেঁচে আছেন। দুরারোগ্য রোগাক্রান্ত অসহায় নিম্নবিত্ব পরিবারটি বাঁচতে দেশের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য আবেদন করছেন। ছেলের জীবন বাঁচাতে বিদেশ নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করাতে সাহায্যের হাত পেতেছেন। আপনার মাত্র একটি টাকা বাঁচাতে পারে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত নয়ন কে এবং বাবা-মাকে।
স্থানীয়রা দীর্ঘ দিন ধরে রক্ত ও অর্থ দিয়ে আসছেন, কিনতু এখন আর কেউ দিতে চায়না। জন প্রতিনিধিদের কাছে গেলে ঘন্টা্র পর ঘন্টা বসে থেকে মাত্র ৫০/১০০ টাকা পর্যন্ত সাহায্য মিললেও তাতে না হয় নয়নের ওষুধ, না হয় আমার ওষুধ, না হয় ওর মায়ের ওষুধ, না জোটে সংসারের খাওয়া। কথাগুলো বলছিলেন অসুস্থ নয়নের বাবা আনিসুর রহমান ।
তিনি জানান,তেমনি নেই গরিব কে দেওয়া সরকারের কোন প্রকার সুযোগ সুবিধা। প্যারালাইজড অবস্থায় সংসারের ও ওষুধের ঘানি টানতে প্রতি নিয়ত ছুটতে হয় উপজেলার এক প্রান্ত হতে অপর প্রান্তে । অতি কষ্টের সাথে কথা বলার সময় নয়নের পিতা প্যারালাইজড রোগী মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, নয়নরা তিন ভাই বোন, এর মধ্যে নয়ন মেঝ। তিনি সবার কাছে সাহায্য চেয়ে ছেলেসহ বেঁচে থাকতে আকুল আকুতি জানিয়েছেন। সাহাযা পাঠাবার ঠিকানা- বিকাশ নং ০১৭৩২ ৮৮৮১৫১