মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
রবিবার (২৫ অক্টোবর) ২০২৬, দুপুর ২টা ১৭ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপনের জন্য ২৭ হাজার টাকা জমা দিয়েও চার মাস ধরে সেবা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী নামে এক গ্রাহক। লোহাগাড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে আবেদন ও নির্ধারিত অর্থ জমা দেওয়ার পরও খুঁটি না পাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তিনি।
ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন চৌধুরী উপজেলার আমিরাবাদ মাস্টারহাট এলাকার বাসিন্দা। তিনি জানান, ২০২৩ সালে নিয়ম মেনে আবেদন করেও কোনো সুরাহা পাননি। পরবর্তীতে ২০২৬ সালে লোহাগাড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. রফিকুল ইসলাম খানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁকে জানানো হয়, আগের আবেদনের কোনো নথি অফিসে সংরক্ষিত নেই।
অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী, আনোয়ার ৭ জুন নতুন করে আবেদন করেন এবং ১৭ জুন ক্যাশ রিসিভ ভাউচারের মাধ্যমে ২৭ হাজার টাকা জমা দেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে খুঁটি স্থাপনের আশ্বাস দেওয়া হলেও চার মাস পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, “আমি একজন মধ্যবিত্ত চাকরিজীবী। ধারদেনা করে খুঁটি স্থাপনের জন্য টাকা জোগাড় করেও প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছি না। শ্রমিকসংকটের কথা বলে বারবার সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে।”
শ্রমিকসংকটের অজুহাত কর্তৃপক্ষের
এ বিষয়ে লোহাগাড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “শ্রমিক সংকটের কারণে লোহাগাড়ায় অনেক আবেদন জমে রয়েছে। শ্রমিক সরবরাহের দায়িত্ব ঠিকাদারের এবং সংশ্লিষ্ট কাজটিও ঠিকাদারের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার কথা।”
চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মোহাম্মদ সরওয়ার জাহান এ বিষয়ে লোহাগাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএমের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।