1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বিলুপ্তির পথে কলাবতী শাড়ি - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বিলুপ্তির পথে কলাবতী শাড়ি গাজীপুরে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন: মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপালের জামিন নামঞ্জুর ১৭ ঘণ্টা পর দাফন হলো সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর মরদেহ আট দিন বন্ধের পর বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু লোহাগাড়ায় ২৭ হাজার টাকা জমা দিয়েও ৪ মাসে মিলল না বিদ্যুতের খুঁটি বাঘারপাড়ার আওয়ামী লীগ নেতা দিলু পাটোয়ারী আটক নবীনগর থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি নূর মোহাম্মদ, সম্পাদক অলিউল্লাহ ভাড়া বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক দিল্লিতে স্কুলের ভেতরে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহনন গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা: আহত ২, অভিযানে পুলিশ

পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বিলুপ্তির পথে কলাবতী শাড়ি

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪ জন খবরটি পড়েছেন

সংবাদদাতা / কমলগঞ্জ
২৫ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৩টা ৭ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

কলাগাছের তন্তু ও তাঁতের সুতার সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ‘কলাবতী শাড়ি’ উদ্ভাবন করে দেশজুড়ে সাড়া ফেললেও পৃষ্ঠপোষকতা ও তহবিলের অভাবে শিল্পটি এখন বিলুপ্তির পথে। ২০২৩ সালে এই শাড়ি তৈরির মাধ্যমে আলোচনায় আসা মৌলভীবাজারের কারিগর রাধাবতী দেবী জানান, প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও গবেষণার অভাবে বাণিজ্যিকভাবে এই শিল্পের প্রসার ঘটানো সম্ভব হচ্ছে না।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুবিল মাঝেরগাঁওয়ের বাসিন্দা রাধাবতী ১৯৭৫ সাল থেকে মণিপুরি বস্ত্র বুনছেন। ২০২৩ সালে বান্দরবানের তৎকালীন জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরিজির উদ্যোগে তিনি পাহাড়ি কলাগাছের তন্তু ও তাঁতের সুতা মিশিয়ে প্রথম কলাবতী শাড়ি তৈরি করেন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে এই শাড়ি উপহার দিয়ে তিনি ব্যাপক প্রশংসা ও সম্মাননা পান।

রাধাবতী দেবী বলেন, “এই শিল্পকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে ও বাণিজ্যিকভাবে ছড়িয়ে দিতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার সহায়তা প্রয়োজন। বর্তমানে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আমি নতুন করে আর শাড়ি তৈরি করতে পারছি না।”

একটি শাড়ি তৈরিতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগে এবং ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়। অথচ এখন পর্যন্ত সরকার বা ব্যক্তি উদ্যোগে এই শাড়ি তৈরির কোনো স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি।

বান্দরবান বিসিক জেলা কার্যালয়ের উপব্যবস্থাপক মো. শামীম আলম বলেন, “কলাগাছের সুতা থেকে শাড়ি তৈরির বিষয়ে আমরা দুই মাসের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলাম। তবে প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় প্রকল্পটি সাফল্য পায়নি এবং পরবর্তীতে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।”
বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের উপমহাব্যবস্থাপক (এসিসিআর ও মার্কেটিং) রতন চন্দ্র সাহা বলেন, “শাড়িটি এখনো বাজারে আনার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এটি মসৃণ ও আরামদায়ক করতে আরও গবেষণার প্রয়োজন। তাঁত বোর্ডের কাছে কেউ সহযোগিতা চাইলে আমরা তা নিশ্চিত করব।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar