1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
উলিপুরে ছেলের বিরুদ্ধে মাকে নির্যাতনের অভিযোগ - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘পোশাক লাগিয়েছি ঘুষ খাওয়ার জন্যই’: হবিগঞ্জে এএসআইয়ের ভিডিও ভাইরাল পার্বত্য সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ৩৭ বিজিবির নিয়মিত অভিযান কালিয়াকৈরে তীব্র এলপিজি সংকট: বাড়তি দামেও মিলছে না সিলিন্ডার বনদস্যুদের সহযোগিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মেহেদী, বিল্লাল ও ইয়াসিনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে কারমাইকেল কলেজে যুব রেড ক্রিসেন্টের সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৪ কুষ্টিয়া সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ৯,২৫০ কেজি সার উদ্ধার রাজশাহীতে বাড়ছে রিকশা, যানজট নিয়ন্ত্রণে ৮ দফা প্রস্তাব সচেতন নাগরিকদের

উলিপুরে ছেলের বিরুদ্ধে মাকে নির্যাতনের অভিযোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৭৬ জন খবরটি পড়েছেন

এ আর রাকিবুল হাসান, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

উলিপুরে ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে বৃদ্ধ মাকে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মা সাহেরা বেগম (৬৫) থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার তিন দিন পেড়িয়ে গেলেও কোন সুরাহা মেলেনি। ছেলের হামলায় আহত ও আতঙ্কিত ওই মা নিরাপত্তাহীনতায় বর্তমানে তার মেয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন। বুধবার (৫ এপ্রিল) বিকালে তনুরাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সাহেরা বেগম তনুরাম গ্রামের মৃত আব্দুস ছালামের স্ত্রী। তার ছেলের নাম শাহাদৎ আলী মুকুল (৪২) ও পুত্রবধূর নাম মাসুদা আক্তার ঝর্ণা (৩৬)।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পান্ডুল ইউনিয়নের তনুরাম এলাকায় সাহেরা বেগম দুই ছেলেসহ স্বামীর বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। গত ৫ এপ্রিল পারিবারিক বিষয় নিয়ে বড় ছেলে শাহাদৎ আলী মুকুল (৪২) এর সাথে ঝগড়া বিবাদ শুরু হয়। এ সময় মুকুল ও তার স্ত্রী ওই বৃদ্ধাকে গলা ধরে ধাক্কা দেন ও সুপারির গাছের বাকল দিয়ে মারধর করে আহত করেন। পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুই দিন চিকিৎসা শেষে তিনি নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বাড়িতে না গিয়ে মেয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী সাহেরা বেগম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর বুধবার (৫ এপ্রিল) রাতেই আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। পরদিন থানা থেকে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করতে প্রথমে আমার এলাকায় ও পরে হাসপাতালে গিয়ে আমার কাছে বিস্তারিত শোনে। ভর্তি হওয়ার দুইদিন পর আমি কিছুটা সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল থেকে মেয়ের বাড়িতে চলে যাই। সেদিন থেকে মেয়ের বাড়িতেই অবস্থান করছি। ছেলে ও ছেলে বউয়ের ভয়ে আমি আমার বাড়িতে যেতে পারছি না। তারা আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চায়। আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ওই বাড়িতে নাকি আমার কোনও অধিকার নাই। তাহলে এই বয়সে আমি কোথায় যাবো, কার কাছে বিচার চাইবো।’

ছেলের হাতে আগেও একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন জানিয়ে ভুক্তভোগী এই মা আরও বলেন, ‘অভিযোগ দেয়ার কয়েক দিন পেড়িয়ে গেলেও থানা পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। তারা আমাকে মিমাংসা করতে বলে। আগেও মিমাংসা করে দিছে। তারপরও আমাকে মারে। এখনও নির্যাতন করছে। মিমাংসা না, আমি অমন ছেলে ও ছেলের স্ত্রীর বিচার চাই।’

ছেলে শাহাদৎ আলী মুকুল মাকে নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘এ গুলো ভন্ডামি কথা। আমি মাকে মারধর করিনি। এছাড়া আমার স্ত্রী ঘর থেকে বাহিরে বের হয়না। মাকে মারধর করার প্রশ্নই উঠে না।’ পারিবারিক বিরোধে এসব অভিযোগ করা হচ্ছে জানিয়ে মুকুল বলেন, ‘ঘটনার দিন মা আমার বোনের বাড়িতে ছিলেন। আমার ছোট ভাইয়ের সাথে আমার ধস্তাধস্তির খবরে মা বাড়িতে এসে কোনও কিছু না শুনে আমাকে ধরছে। এসময় তাকে অন্যরা ছুটিয়ে নিয়েছে। এ বিষয়টি আমার ছোট ভাই ও ভগ্নিপতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে।’

থানা পুলিশ বলছেন, মা-ছেলের দ্বন্দ্বের বিষয়ে এর আগেও থানায় অভিযোগ হয়েছিল। তখন উভয় পক্ষকে নিয়ে মিমাংসা করা হয়েছে। এবারও ভুক্তভোগী মা নির্যাতনের অভিযোগে লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। তবে এবার ভুক্তভোগী মা মিমাংসায় আগ্রহী নন।

উলিপুর থানার ওসি শেখ আশরাফুজ্জামান অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘এক পুত্রবধূর কারণে বারবার বিরোধ তৈরি হচ্ছে। এবার ধাক্কা ধাক্কির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে। আমরা অভিযোগটি জিডি মূলে গ্রহণ করে আদালতে পাঠিয়েছি। পাশাপাশি মা-ছেলের মধ্যে মিমাংসা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar